আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার রাতে জল্পনার অবসান ঘটে। রবিবার কলম্বোয় মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। নিজেদের অবস্থান থেকে ইউ টার্ন পাকিস্তানের। এক সপ্তাহ আগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান। কিন্তু রবিবার আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বৈঠকের পর ডিগবাজি খায় পাকিস্তান। এমন যে হতে পারে অনেক আগেই আন্দাজ করেছিলেন সুনীল গাভাসকর। কারণ এর আগেও একাধিক সময় নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার নজির রয়েছে তাঁদের। বেশ কয়েকদিন ধরেই এই বিষয়ে আলোচনা চলছিল। তারমধ্যে হস্তক্ষেপ করে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ক্রিকেট বোর্ড। তারপর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। সোমবার রাতে বয়কটের সিদ্ধান্তে ইউ টার্ন মারে পাকিস্তান।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে পাকিস্তান সুপার লিগের একটি সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন মহসিন নাকভি। সেখানে বয়কট নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। পাকিস্তানের অবস্থান জানতে চায় সাংবাদিকরা। সেখানেই ইউ টার্নের ইঙ্গিত দেন পিসিবির চেয়ারম্যান। আইসিসির সঙ্গে সন্ধিস্থাপন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। উত্তরে নাকভি বলেন, 'নিজের জন্য আমি কিছু করিনি। কিছুক্ষণের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। আপনারা নিশ্চয়ই বাংলাদেশের বিবৃতি দেখেছেন। বাংলাদেশ আমাদের খেলার জন্য অনুরোধ জানায়। নিশ্চয়ই ওদের সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই এমন অনুরোধ করেছে। আমরা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। পুরো বিষয়টাই ওদের। আমরা নিজেদের জন্য কিছু করিনি।'
এক সপ্তাহের নাটকের শেষে একটি বিবৃতি দেয় আইসিসি। সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সর্বসম্মতভাবে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, আইসিসি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের নিয়ম অনুযায়ী, সবাই নিজেদের দায়বদ্ধতার মান রাখবে। টি-২০ বিশ্বকাপ সফল করতে সবাই সবরকমের সহযোগিতা করবে।' পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের করা পাঁচ দাবির মধ্যে তিনটে দাবি খারিজ করে দেয় আইসিসি। তারমধ্যে একটি ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন করা। তাঁদের সমস্ত দাবি আইসিসি না মানলেও, শেষপর্যন্ত ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি হয়ে যায় পাকিস্তান।
