আজকাল ওয়েবডেস্ক: চলছে এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানি পর্ব। এবার শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার জন্য প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন (টুটু) বোসকে সপরিবার নোটিস দিয়ে ডাকল নির্বাচন কমিশন। ১৯ জানুয়ারি তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ''বাংলার একাধিক বিশিষ্টকে এসআইআর নিয়ে শুনানিতে তলবের পর এবার মোহনবাগান ও ফুটবলের অন্যতম প্রাণপুরুষ, প্রাক্তন সাংসদ, সফল বাঙালি উদ্যোগপতি টুটু বোসকে (স্বপনসাধন) সপরিবার নোটিস দিয়ে ডাকল নির্বাচন কমিশন। টুটুবাবু অসুস্থ। হুইল চেয়ার ছাড়া গতিবিধি অসম্ভব। ১৯ জানুযারি তাঁদের ডাকা হয়েছে। টুটু বোসকে এখন প্রমাণ দিতে হবে তিনি বাংলার নাগরিক। নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি বাংলা ও বাঙালি আর বঙ্গবাসীর উপর এই অত্যাচারের জবাব পাবে আসন্ন নির্বাচনে।''
এর আগে মহম্মদ সামিকে এসআইআর শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। তিনি নাকি কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার। কিন্তু বাংলার হয়ে খেলার জন্য তারকা পেসার হাজিরা দিতে পারেননি। শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে বাংলার ক্রিকেট দলের কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লকে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় লক্ষ্মীর নাম না থাকার কারণেই প্রাক্তন ক্রিকেটারকে ডাকা হয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, লক্ষ্মীর বাবার নামও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই। রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি।
এসআইআরের নামে হেনস্থা করা হচ্ছে। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা খেলোয়াড়দের ডেকে পাঠানো হচ্ছে, এই অভিযোগে স্বামী বিবেকানন্দর জন্মদিনে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। ভবানীপুর ক্লাবের সামনে চলে প্রতিবাদ কর্মসূচি।
প্রাক্তন খেলোয়াড়রা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেবেন বলে স্থির করেন। সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দীপেন্দু বিশ্বাস, অলোক মুখোপাধ্যায়, মানস ভট্টাচার্য-সহ ময়দানের একাধিক প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। এবার টুটু বোসের মতো ব্যক্তিত্বকে ডাকা হল এসআইআর শুনানির জন্য।
