আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিজয় হাজারেতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন সরফরাজ খান। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। অনুশীলনে গুরুতর চোটের জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে কর্নাটকের বিরুদ্ধে নামতে পারলেন না তিনি। তাঁর এই চোট মুম্বইয়ের রাজ্য দল তো বটেই, চিন্তায় রাখবে চেন্নাই সুপার কিংসকেও।


এই মরশুমে রঞ্জি ট্রফিতে দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গিয়েছিল সরফরাজকে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি–২০ ট্রফিতেও দারুণ পারফর্ম করেছেন। আইপিএল নিলামে চেন্নাই সুপার কিংস তাঁকে ন্যূনতম মূল্য ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনেছে। এবার বিজয় হাজারেতেও সেই ধারা বজায় রেখেছিলেন সরফরাজ। গত বৃহস্পতিবারই পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মাত্র ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করে নজির গড়েছেন ২৮ বছরের তারকা। বিজয় হাজারেতে এটাই সবচেয়ে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। সেই তিনি চোটের কবলে পড়ে ছিটকে যাওয়ায় প্রবল ক্ষতি হল মুম্বইয়ের। তাঁকে ছাড়া মুম্বইয়ের ব্যাটাররা কর্নাটক বোলারদের সামনে রীতিমতো ভিরমি খেয়েছেন। ৫০ ওভারে ২৫৪–র বেশি করতে পারেনি মুম্বই।


জানা গিয়েছে, আঙুল ভেঙে গিয়েছে সরফরাজ খানের। নেট প্র্যাকটিসের সময় চোট পান তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে অনুশীলন করছিলেন। সেই সময় বোলিং করছিলেন সাইরাজ পাটিল। তাঁরই একটি বল সজোরে সরফরাজের আঙুলে লাগে। চোট এতটাই গুরুতর ছিল যে, আঙুল ভেঙে যায়। তাঁর জায়গায় কর্নাটকের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে সুযোগ পেয়েছেন ঈশান মূলচন্দানি। যদিও ২০–র বেশি করতে পারেননি তিনি।


২০২৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেকেই নজর কেড়েছিলেন সরফরাজ খান। তারপর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি। তারপরও দল থেকে বাদ পড়েছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে সরফরাজ ধারাবাহিক রান করেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এই ব্যাটারের রান সংখ্যা সাড়ে চার হাজারের বেশি। ১৬টি সেঞ্চুরি আছে। ট্রিপল সেঞ্চুরিও আছে। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে খেলেছেন তিনি। পরে পাঞ্জাব কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসে খেললেও কখনই নিজেকে সেভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। গত দু’বছর দলই পাননি। 
প্রথম দফার নিলামে অবিক্রীত ছিলেন সরফরাজ। শেষের দিকে তাঁকে কেনে চেন্নাই। কিন্তু তিনি আঙুলে চোট পাওয়ার পর উদ্বেগে মহেন্দ্র সিং ধোনির দলও। আপাতত দলের মেডিক্যাল টিমের লক্ষ্য, দ্রুত তাঁকে সুস্থ করে তোলা। এটা ঘটনা, বিজয় হাজারেতে ৬ ম্যাচের ৫ ইনিংসে করেছেন ৩০৩ রান। এর মধ্যে ২৫টি চার ও ২১টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ১৯০.৫৬।