আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ তাঁর আগ্রাসী মানসিকতা ক্রিকেট মাঠে বন্দিত হয়েছে। আবার সমালোচিতও হয়েছে। তিনি গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রিকেটার ও কোচ হিসেবে তাঁর অবদান কম নয়। দেশের হয়ে ক্রিকেটার হিসেবে দুটো বিশ্বকাপ তিনি জিতেছেন। ২০০৭ টি–২০ বিশ্বকাপ ও ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দুই বিশ্বকাপ ফাইনালেই সর্বোচ্চ রান এসেছিল গম্ভীরের ব্যাট থেকে। আর কোচ হিসেবে জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও টি–২০ বিশ্বকাপ। 


কিন্তু ২০১৩ সালে সেই গম্ভীরের ক্রিকেট কেরিয়ারই আচমকা থেমে গিয়েছিল। তখন জাতীয় দলের নির্বাচক প্রধান ছিলেন সন্দীপ পাটিল। এই ঘটনার পর গম্ভীরের সঙ্গে যে তাঁর সম্পর্ক কতটা খারাপ হয়েছিল সে কথাই এবার প্রকাশ্যে এনেছেন পাটিল।


২০১৩ সালে ভারতের টেস্ট ও একদিনের দল থেকে বাদ পড়েন গম্ভীর। সুযোগ দেওয়া হয় শিখর ধাওয়ানকে। পাটিলের কথায়, বিষয়টা ভালভাবে নেননি গম্ভীর। পাটিলের দাবি, বাদ পড়ার পর গম্ভীর একবারও তাঁর সঙ্গে কথা বলা তো দূর, তাকানোর প্রয়োজনও পর্যন্ত মনে করেননি।


পাটিল বলেছেন, ‘‌এক অনুষ্ঠানে আমরা দু’‌জনেই একসঙ্গে ছিলাম। কিন্তু একবারও গম্ভীর আমার দিকে ফিরেও তাকায়নি। এমনকী আমি বার বার হ্যালো বলার পরেও গম্ভীর একটা শব্দও পর্যন্ত উচ্চারণ করেনি।’‌


তবে দল থেকে বাদ পড়ার আগে পর্যন্ত কিন্তু পাটিলের সঙ্গে গম্ভীরের দারুণ সম্পর্ক ছিল। এটাও ঘটনা পাটিলকে যখন ভারতীয় দলের কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তখনও গম্ভীর ফোন করেছিলেন পাটিলকে। কিন্তু গম্ভীর দল থেকে বাদ পড়ার পর সেই সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। 


যদিও পাটিলের দাবি, তিনি এখনও গম্ভীরকে সেই সম্মানটাই দেন। পাটিলের কথায়, ‘গম্ভীর ভুলে গেলেও আমি যাইনি। এখনও গম্ভীরকে সম্মান করি। পছন্দ করি।’‌ 


দেশের হয়ে শেষ একদিনের ম্যাচ গম্ভীর খেলেছিলেন ২০১৩ সালে। আর টি–২০ ২০১২ সালে। তবে ২০১৬ সালে গম্ভীর ফের টেস্ট দলে কামব্যাক করেছিলেন। আর পাটিল নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ২০১২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত।