আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এবার লক্ষ্য ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তাই এখন থেকে জাতীয় দলের হয়ে বেছে বেছে ম্যাচ খেলবেন জসপ্রীত বুমরা। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত। 


সূত্রের খবর, ২০২৭ এর অক্টোবর–নভেম্বর অবধি দেশের হয়ে খুব বেশি টি–২০ খেলবেন না বুমরা। ফোকাস রাখবেন একদিনের ক্রিকেটে।


২০২৭ সালের অক্টোবর–নভেম্বর অর্থাৎ এই ১৮ মাসে ভারতের অনেকগুলি দ্বিপাক্ষিক টি–২০ সিরিজ রয়েছে। কিন্তু বিসিসিআই এখন একদিনের ক্রিকেটকেই বেশি গুরুত্ব দেবে। অবশ্য চলতি বছরেই জাপানে রয়েছে এশিয়ান গেমস। যেখানে টি–২০ ফর্ম্যাটে হবে খেলা। আবার ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে ফিরছে ক্রিকেট। সেখানেও খেলা হবে টি–২০ ফর্ম্যাটে। অলিম্পিক্সে অংশ নিতে চান অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই। সেটা নিয়ে কী হবে তা অবশ্য বলা যাচ্ছে না। কিংবা বুমরা এই দুই টুর্নামেন্টে খেলবেন কিনা স্পষ্ট নয়।


আপাতত আইপিএলের ব্যস্ততা তুঙ্গে। দু’‌মাস ধরে চলবে প্রতিযোগিতা। তারপর ভারত শুরু করে দেবে ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। 


সূত্রের খবর, আইপিএলের পরেই বোর্ড আলোচনায় বসবে গৌতম গম্ভীর, শুভমান গিল, জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে। ওই বৈঠকেই হয়ত ২০২৭ বিশ্বকাপের নীল নকশা ছকা হবে। যেখানে আলোচনায় অনেকটাই থাকবে বুমরার ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের বিষয়টি।


এটা অবশ্য স্পষ্ট যে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে অবহেলা করার প্রশ্নই নেই। ৩২ বছরের পেসারকে খেলাতেই হবে। শোনা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর ২০২৬ অবধি বুমরাকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, এবারও ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করা হবে।


বিষয়টা কীরকম?‌ ১৯ নভেম্বর ২০২৩ অর্থাৎ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালের পর এখনও অবধি বুমরা খেলেছেন ৪২ ম্যাচ। যার মধ্যে ২১ টেস্ট ও ২১ টি–২০। খেলেননি একদিনের ক্রিকেট। এবারও সেই ভাবনাতেই যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে টি–২০ থেকে সরিয়ে বুমরাকে টেস্ট ও ওয়ানডে খেলানো হবে। ২০২৭ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে। বোর্ড সূত্রে বলা হচ্ছে, ‘‌যেকোনও আইসিসি টুর্নামেন্টেই বুমরা বড় শক্তি। তাই ওঁর ফিটনেসের দিকেও আমাদের নজর রাখতে হবে। তাই টিম ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি নিয়ে ভাবিত। টেস্টের কথা আলাদা। সেখানে বুমরা খেলবে। কিন্তু ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের আগে শুধু এই ফরম্যাটেই মনোনিবেশ করবে বুমরা।’‌ 


যা খবর, ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে ভারত ৩০ থেকে ৩৫টি একদিনের ম্যাচ খেলবে। সেখানেই বুঝে বুঝে খেলবেন বুমরা। 


এদিকে, আপাতত ভারতের পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ বোলার হিসেবে বুমরা ছাড়াও সিরাজ, অর্শদীপ ও হর্ষিত রানাকেই ধরা হচ্ছে।