আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৯ এপ্রিল কেরলে বিধানসভা ভোট। একদফাতেই হবে নির্বাচন। সেখানে জোরকদমে চলছে প্রচার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেরলে গিয়েছিলেন প্রচারে। সেই প্রচার থেকেই ভারতীয় ব্যাটার সঞ্জু স্যামসনের ঢালাও প্রশংসা করেন মোদি।
এখন আইপিএলে ব্যস্ত সঞ্জু। কিছুদিন আগেই টি–২০ বিশ্বকাপে সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছেন। সেই সঞ্জুকে নিয়ে নির্বাচনী জনসভা থেকে মোদি বলেন, ‘ক্রিকেট মরশুম চলছে। কেরলের মানুষের জন্যও এটা শেখার বিষয়। যেমন সঞ্জু স্যামসনের পারফরম্যান্স আমরা দেখেছি টি–২০ বিশ্বকাপে।’
স্যামসনকে মাঠে একজন সাহসী চরিত্র বলে উল্লেখ করেছেন মোদি। বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে ফর্মের চূড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল সঞ্জু। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ অবধি সঞ্জুর মধ্যে ছিল আত্মবিশ্বাস। এটাই একজন ক্রিকেটারের সত্যিকারের পরিচয়।’ এরপরই মোদি যোগ করেছেন, ‘দলের যখন প্রয়োজন তখনই সঞ্জু সেরাটা দিয়েছে। এটাই একজন ক্রিকেটারের পরিচয়।’
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে আইপিএল খেলতে ব্যস্ত সঞ্জু। প্রথম ম্যাচ হারতে হয়েছে চেন্নাইকে। শুক্রবারই পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে চেন্নাইয়ের।
এদিকে, প্যাট কামিন্স এখনও সুস্থ নন। কবে তিনি সানরাইজার্সের জার্সিতে নামতে পারবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঈশান কিষানকে। ফ্রাঞ্জাইজির এই সিদ্ধান্তে খুশি নন যুবরাজ সিং। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর শিষ্য অভিষেক শর্মাকে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হোক।
যুবি ছাড়াও অনেকেই ভেবেছিলেন সম্ভবত অভিষেককেই নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। এই তালিকায় যুবরাজ সিংও আছেন। যিনি কয়েক বছর ধরে অভিষেককে কোচিং করিয়েছেন। যদিও যুবির আশা, ঈশান ও অভিষেকের মধ্যে সম্পর্ক এই সিদ্ধান্তের পরেও ভালই থাকবে।
তবে যুবি এই ঘটনার সঙ্গে ২০০৭ সালের কথা স্মরণ করেছেন। বলেছেন, ২০০৭ সালেও হরভজন, বীরু বা আমি সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও অধিনায়ক করা হয়েছিল ধোনিকে। যুবির কথায়, ‘আমি বেশ হতাশ। ঈশান কিষানকেও আমি ভালবাসি। ভারতীয় ক্রিকেটে ওর উন্নতি বেশ চমকপ্রদ। এখানে একটা কথা আমি বলব। বিশ্বকাপের আগেই দলে এসেছিল অভিষেক শর্মা। রাজ্য দলের হয়েও জিতেছে। এরপর টি–২০ বিশ্বকাপ খেলেছে। রান করেছে। ভারত জিতেছে। একটি ফ্রাঞ্চাইজিতে দীর্ঘদিন খেলার পরেও সেই ক্রিকেটার যদি অধিনায়কের দায়িত্ব না পায় তাহলে সে মোটিভেট হবে কীভাবে? তবে অভিষেকের সঙ্গে ঈশানের সম্পর্ক ভাল।’















