আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপ শুরু হতে মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু পাকিস্তানের খেলা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। পাকিস্তানের মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁরা টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে পারে বা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ভারত থেকে বাংলাদেশের ম্যাচ সরানোর পূর্ণ সমর্থনে ছিল। কিন্তু আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ মানেনি। ওপার বাংলার দলকে বিশ্বকাপ থেকে ছেঁটে ফেলা হয়। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর, সেন্টারস্টেজ নেয় পাকিস্তান। পিসিবির প্রধান মহসিন নাকভি আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বৈত নীতির অভিযোগ আনে।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন নাকভি। জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকার নেবে। পাকিস্তানের এই আচরণে বিরক্ত ইরফান পাঠান। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ব্যাখ্যা দেন। তিনি জানান, ভারত এবং পাকিস্তান নিজেদের ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলে। যাতে সায় রয়েছে দুই দলেরই। ইরফান পাঠান বলেন, 'সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। পাকিস্তানের দিক থেকে যুক্তিহীন। যদি হাইব্রিড মডেলে খেলতে সবাই রাজি হয়ে থাকে, এবং শ্রীলঙ্কায় খেলার বিষয়ে মত দেয়, তাহলে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি করছে। পুরোপুরি যুক্তিহীন।' ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-২০ বিশ্বকাপের মহারণ। মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এই অবস্থানে দেশের লোকজনের কাছেই হাসির পাত্র হয়ে উঠেছেন মহসিন নাকভি। প্রাক্তন ক্রিকেটার রশিদ লতিফ মনে করেন, পাকিস্তানের পদক্ষেপ নেওয়ার সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তিনি জানান, বিশ্বকাপ খেলার বিষয়টি সরকারের ওপর নির্ভর করলেও, খুব ধীরে চলো গতিতে এগিয়েছে পাকিস্তান। রশিদ লতিফ মনে করেন, এই মুহূর্তে বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ভারত ম্যাচ বয়কট করা এখনও সম্ভব। এমনকী যদি দুটো দল ফাইনালেও ওঠে।
