আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিজের দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামই ভুল লিখে ফেললেন মহসিন নকভি। যা নিয়ে হাসির রোল উঠেছে নেটপাড়ায়।
বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়েছে আইসিসি। আর এরপর পাকিস্তানও টি–২০ বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিচ্ছে। যদিও গোটা বিশ্বকাপ নয়, শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করার পরিকল্পনা নিয়েছেন মহসিন নকভিরা। এমনটাই সূত্রের খবর।
এই পরিস্থিতিতে সোমবারই এই বিষয় নিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নকভি। এ পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু এসব কিছু ঘটাতে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর নামই ভুল করে বসলেন নকভি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর নাম শাহবাজ শরিফ। কিন্তু নকভির দৌলতে শাহবাজ শরিফ হয়ে গেলেন ‘মিয়া মহম্মদ নাওয়াজ শরিফ’। এই ঘটনায় হাসির রোল উঠেছে নেটপাড়ায়। যদিও এর কিছুক্ষণ পর পিসিবি প্রধানের এক্স অ্যাকাউন্টে ক্লিক করলে দেখা যায় ‘অ্যাকাউন্ট উইথহেল্ড’। অর্থাৎ অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করা হয়েছে।
যদিও অ্যাকাউন্ট স্থগিত হলেও ততক্ষণে স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়ে যায়। যা দেখে এক নেটিজেন লেখেন, ‘মিটিং–টিটিং ছাড়ুন, আগে তো নিজের দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামটা ঠিক করে লিখুন।’ আরেকজনের কথায়, ‘অবাক হইনি। এমনই তো হওয়ার ছিল।’ কেউ লিখেছেন, ‘একেবারে অশিক্ষিতের মতো কাজ!’
প্রসঙ্গত, সোমবার পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন নকভি। বৈঠক শেষে তিনি এক্স হ্যান্ডেলে জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক কথাবার্তা হয়েছে। সবকিছু বিবেচনা করেই সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শাহিন আফ্রিদিরা আদৌ আসন্ন বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, তা জানানো হবে আগামী শুক্রবার অথবা আগামী সপ্তাহের সোমবার। নকভি আগেই জানিয়েছিলেন, দল ঘোষণার অর্থ এই নয় যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে রাজি পাকিস্তান। এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শাহবাজ শরিফের সরকার।
এখন দেখার পাক সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়।
এটা ঘটনা, বাংলাদেশকে টি–২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পর নকভি প্রথমে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানও প্রতিযোগিতা থেকে নাম তুলে নিতে পারে। শনিবার তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপে খেলব কি না, সেই সিদ্ধান্ত দেশের সরকার নেবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এখন দেশের বাইরে। উনি ফিরলে আমরা ওঁর পরামর্শ নেব। সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। যদি উনি খেলতে নিষেধ করেন, তাহলে আমরা খেলব না। সেক্ষেত্রে আইসিসিকে আরও একটি দলকে অনুরোধ জানাতে হবে।’
