আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হার। এবার স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে নাম জড়াল পাকিস্তানের বোলারের। অদ্ভুত দেখতে একটি নো বল করলেন পাকিস্তানের বোলার আসাদ আখতার। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। ১৪ মার্চ পাকিস্তানে ছেলেদের পেশাদার ঘরোয়া টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় এক ওভারে ২১ রান দেন তিনি। পেশোয়ারে ইমরান খান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে করাচি ব্লুজের হয়ে লাহোর ব্লুজের ম্যাচে এই ঘটনা ঘটে। আখতার দুটো ওয়াইড এবং দুটো নো বল করে। একটি নো বলে বোলিং ক্রিজের থেকে অনেকটা আগে ছিল তাঁর ফ্রন্টফুট। সঙ্গে সঙ্গে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মহম্মদ আমিরের করা নো বলের সঙ্গে তুলনা টানা হয়। পরে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত হন আমির। 

সেই ঘটনার ২৫ বছর কেটে গেলেও, সম্প্রতি আবার সেটা তুলে ধরেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অলরাউন্ডার এবং জাতীয় নির্বাচক আব্দুল রাজ্জাক। জানান, কীভাবে এই ম্যাচ গড়াপেটা ইংল্যান্ড সফরে ম্যানেজমেন্টের নজরে আসে। প্রাথমিকভাবে ফিক্সিংয়ের অভিযোগের কথা অস্বীকার করেন আমির। যা শুনেই আমিরকে চড় মারেন তৎকালীন অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। রাজ্জাক জানান, ২০১০ সালে লন্ডনে স্পট ফিক্সিং আবিষ্কার করেন তাঁর এক বন্ধু। যার পার্ট টাইম মোবাইল সরানোর দোকান। 

রাজ্জাক বলেন, 'মাজহার মজিদ আমার বন্ধুর কাছে এসে মোবাইল সারাতে দেয়। রাতে যখন মোবাইল ঠিক হয়, ও মাজহারের সঙ্গে তিনজন প্লেয়ারের স্পট ফিক্সিং নিয়ে মেসেজ দেখে।' সলমন বাট, মহম্মদ আসিফ এবং মহম্মদ আমিরের সঙ্গে ম্যাচ গড়াপেটা নিয়ে আলোচনার জন্ম জেল হয় মাজহারের। রাজ্জাক জানান, তাঁর বন্ধু সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে সেই মেসেজগুলো দেখান। তারপর আফ্রিদিকে জানান তিনি। সেই সময় দলের সিনিয়র প্লেয়ার ছিলেন তিনি। টেস্ট অধিনায়কের পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।তবে সাদা বলের ক্রিকেটের অধিনায়ক ছিলেন। রাজ্জাক বলেন, 'আফ্রিদি আমিরকে নিজের ঘরে ডাকে। তখন ওর বয়স মাত্র ১৮। আমাকে বাইরে দাঁড়াতে বলে। আফ্রিদি খুবই রেগে যায়, এবং সত্যি কথা বলতে বলে। আমি বাইরে থেকে শুনতে পাই। ও অস্বীকার করে। আমি চড়ের আওয়াজ পেয়ে ভেতরে ছুটে যাই।'