আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা চলছিল।

 ছ'বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কম অবশেষে মুখ খুললেন। জানিয়ে দিলেন, তিনি এবং তাঁর স্বামী  কারুং ওঙ্খোলের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক আর নেই। পারস্পরিক সম্মতিতে তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। ২০২৩ সালের ২০ ডিসেম্বর বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের। সে কথা জানত না কাকপক্ষী। আজ বুধবার সরকারি ভাবে সেই ঘোষণা করে দিলেন অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার মেরি কম। 

বিবাহবিচ্ছেদ জল্পনার মধ্যেই আরও একটি বিষয় নিয়ে চর্চায় ছিলেন মেরি কম। শোনা যাচ্ছিল, নতুন এক সম্পর্কে জড়িয়েছেন মেরি। নিজের ব্যবসায়িক সহযোগী এবং মেরি কম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হীতেশ চৌধুরি তাঁর নতুন প্রেমিক। হিতেশ আবার মেরির এক সতীর্থের স্বামীও। 

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রজত মাথুরের লেটারহেডে দুই পৃষ্ঠা সম্বলিত বিজ্ঞপ্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেশের বিখ্যাত মহিলা বক্সার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন। দুই পাতার সেই বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার ভাবে বলা রয়েছে, তাঁর এবং কারুং ওঙ্খোলের মধ্যে বিচ্ছেদ পারস্পরিক সম্মতিতেই হয়ে গিয়েছে এবং তা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে আগেই। তিনি এগিয়ে যেতে চান এবং তাঁর অতীত সম্পর্ক এবং বিয়ে নিয়ে কোনও মন্তব্য আর করতে চান না। বিজ্ঞপ্তিতে একথাও বলা হয়েছে, হীতেশ চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে যে চর্চা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা। 

 

?ref_src=twsrc%5Etfw">April 30, 2025

সেই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেরি কম সংবাদমাধ্যমকেও বার্তা পাঠিয়েছেন। তাঁর গোপনীয়তাকে যাতে রক্ষা করা হয়, সেই অনুরোধের পাশাপাশি, ভুল তথ্য পরিবেশন থেকে মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে বিরত থাকারও আবেদন জানিয়েছেন মেরি কম। 

তাঁর এহেন অনুরোধ যদি না মানা হয়, সেক্ষেত্রে মানহানি এবং গোপনীয়তা রক্ষার আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করে দেন মেরি কম। 

৬ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার ২০০৫ সালে বিয়ে করেছিলেন কারুং ওঙ্খোলকে। তারপর দীর্ঘ সময় তাঁরা একসঙ্গে কাটিয়েছেন। চার সন্তান রয়েছে তাঁদের। কিন্তু সমস্যার সূত্রপাত ২০২২ সালে মণিপুর বিধানসভা ভোটে ওঙ্খোলের হারের পর থেকেই শুরু হয়। গত দু' বছর অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে, সে কথাও উল্লেখ করেছেন মেরি কম। 

২০০০ সালে মেরি এবং ওঙ্খোলের পরিচয়। তার পরে প্রেম এবং ২০০৫ সালে বিয়ে। ওঙ্খোল ছিলেন ফুটবলার। বক্সার মেরির উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকায় নিজের স্বপ্ন জলাজ্ঞলি দেন ওঙ্খোল। দু'জনের পথ অবশেষে আলাদা হয়ে গেল। ভেঙে গেল দু'দশকের সংসার।