আজকাল ওয়েবডেস্ক: নন্দানি শর্মা ইতিহাস গড়লেন। মহিলাদের আইপিএলে প্রথম ভারতীয় পেসার হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন। 

দিল্লি ক্যাপিটালসের ২৪ বছর বয়সি ক্রিকেটার গুজরাট জায়ান্টসের বিরুদ্ধে নবি মুম্বইয়ে হ্যাটট্রিক করেন। 

৩৩ রানে পাঁচ উইকেট তাঁর ঝুলিতে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইসি অং, ইউপি ওয়ারিয়র্জের গ্রেস হ্যারিস ও ইউপি ওয়ারিয়র্জের দীপ্তি শর্মা মহিলাদের বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছেন। 

২০-তম ওভারে নন্দানি কণিকা আহুজা, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও রেণকুা সিংকে আউট করেন। 

চণ্ডীগড়ের ক্রিকেটার নন্দানি। পেস বোলিংয়ের জন্য তিনি বিখ্যাত। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করে তিনি প্রচারের আলোয় আসেন। 

২০০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন নন্দানি। ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় তিনি চণ্ডীগড়কে প্রতিনিধিত্ব করেন। মহিলাদের ইন্টার জোনাল ম্যাচে নন্দানি উত্তারঞ্চলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। 

২০২৬ সালের মহিলাদের নিলামে ২০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে কেনা হয়েছিল নন্দানিকে। 

হ্যাটট্রিকের পরে নন্দানি আলাদা করে কৃতিত্ব দিয়েছেন জেমিমা রডরিগেজ ও সতীর্থ শেফালি বার্মাকে। এই দুই ক্রিকেটার নন্দানিকে উৎসাহ জুগিয়ে গিয়েছেন। 

লাইন ও লেন্থ ঠিক রাখার জন্য তাঁকে ক্রমাগত পরামর্শ দিয়ে যান জেমিমা ও শেফালি। নন্দানি বলেন, ''টার্গেটে বল করার জন্য আমি ফোকাস করেছিলাম। প্রতিটা বলের আগে জেমিমা ও শেফালি আমার সঙ্গে কথা বলছিল। পরিকল্পনা ছিল খুব সহজ-সরল। স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করতে হবে। হ্যাটট্রিক প্রত্যাশা করিনি। কিন্তু সতীর্থরা ক্রমাগত উৎসাহ জুগিয়ে বলে যাচ্ছিল উইকেট আসবেই আসবে।'' 

নন্দানি আরও বলেন, ''প্রথম ওভারের পরে বুঝতে পারি ব্যাটাররা আমার স্টক বল পড়তে পারছে। সেই বলগুলোকেই মারছে। তাই আমি বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করি।  আর তা খেটেও যায়। আমার ভাই, মা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা মাঠে উপস্থিত ছিল। পরিবারের বাকি সদস্যরা ঘরে বসে খেলা দেখেছে। ওরা অবিশ্বাস্য ভাবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল।'' 

নন্দানি শর্মার প্রথম হ্যাটট্রিক কাজে এল না। সফি ডিভাইনের দুর্দান্ত ৯৫ গুজরাট জায়ান্টসকে ম্যাচ জেতায়।