আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সুস্থ হয়ে টি–২০ দলে ফিরেছেন। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের দলে রাখা হয়নি হার্দিক পাণ্ডিয়াকে।


বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, হার্দিক এখনও টানা ১০ ওভার বল করার মতো জায়গায় নেই। আর সেই কারণেই তাঁকে ওয়ানডে দলে রাখা হয়নি। 


সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে টিম ইন্ডিয়া। সেই দলে রাখা হয়নি হার্দিককে। যা নিয়ে শোরগোল পড়েছিল। যদিও বিসিসিআই জানিয়েছে, ফিটনেসের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেন্টার ফর এক্সেলেন্স থেকে হার্দিককে এখনও পুরো ১০ ওভার বল করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এছাড়া টি–২০ বিশ্বকাপে পাণ্ডিয়া যাতে ১০০ শতাংশ সুস্থ থাকতে পারেন সেই দিকটিও দেখা হয়েছে।


বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌এখনও ম্যাচে ১০ ওভার বল করার মতো ফিটনেস নেই হার্দিকের। তাছাড়া সামনে টি–২০ বিশ্বকাপ রয়েছে। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’‌


এদিকে, সিডনিতে বড় রানের পথে এগোচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ২১১। নজির গড়ে জো রুট সেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররা ডাহা ফেল। সেই কারণে সুযোগ পেয়েও বড় রান তুলতে ব্যর্থ তারা। ৩৮৪ রানে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে অজিরা ২ উইকেটে ১৬৬। ট্রাভিস হেড ব্যাট করছেন ৯১ রানে।


সিরিজে ১–৩ পিছিয়ে থাকা অবস্থায় সিডনিতে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইংল্যন্ড। জো রুটের (‌১৬০)‌ ও হ্যারি ব্রুকের (‌৮৪)‌ রানের সুবাদে তারা তোলে ৩৮৪। এই নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৪১ শতরান হয়ে গেল রুটের। অর্থাৎ শচীনের থেকে এখনও ১০ ধাপ দূরে তিনি। লাল বলের ক্রিকেটে শচীনের সেঞ্চুরি সংখ্যা ৫১। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির নিরিখে রুট এখন যুগ্মভাবে তিনে। অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টে তিনি ছুঁয়েছেন প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে। তাঁরও সেঞ্চুরি সংখ্যা ৪১। জ্যাক কালিস রয়েছেন দুইয়ে। ৪৫টি টেস্ট সেঞ্চুরি রয়েছে প্রাক্তন প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের। শীর্ষে রয়েছেন শচীন। একই সঙ্গে টেস্টে ১৭ বার দেড়শো পেরলেন রুট। দেড়শোর বেশি রান করার নিরিখে তিনি এখন চতুর্থ স্থানে। তাঁর আগে রয়েছেন শচীন তেণ্ডুলকার (২০), ব্রায়ান লারা ও কুমার সাঙ্গাকারা (১৯) এবং ডন ব্র্যাডম্যান (১৮)। এদিকে, ইংরেজ উইকেটকিপার জেমি স্মিথ করেন ৪৬। 


অজি বোলারদের মধ্যে মাইকেল নেসের নেন ৪ উইকেট। মিচেল স্টার্ক এবং স্কট বোলান্ডের শিকার ২টি করে উইকেট। ক্যামেরন গ্রিন ও মার্নাস লাবুসেন নেন ১টি করে উইকেট। জবাবে টি–২০ মেজাজে খেলে ট্রাভিস হেড দ্বিতীয় দিনের শেষে অপরাজিত ৮৭ বলে ৯১ রানে। তাঁর ইনিংসটি ১৫টি বাউন্ডারি দিয়ে সাজানো। অপরাজিত রয়েছেন নৈশপ্রহরী নেসের (১)। এর আগে অবশ্য সাজঘরে ফিরেছেন জেক ওয়েদারল্ড (২১) এবং লাবুসেন (৪৮)। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে অবশ্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন স্টোকস–লাবুসেন। যদিও আম্পায়াররা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ২ উইকেট নিয়েছেন স্টোকস। দ্বিতীয় দিনের শেষে এখনও ২১৮ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড।