আজকাল ওয়েবডেস্ক: আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি টিম ইন্ডিয়ার। দু'বছর আগে একদিনের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ভারতের। চলতি বিশ্বকাপের একমাত্র ম্যাচ আহমেদাবাদে হারে ভারত। তবে এবার যাতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। যেকোনো ম্যাচের অন্যতম প্রধান অঙ্গ পিচ। মেগা ফাইনালের আগেও উইকেট ঘিরে বিশেষ আলোচনা। ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনালে কি চরিত্র নেবে পিচ? একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে, রবিবার মিশ্র মাটির পিচে ফাইনাল খেলা হবে। অনেকটা মুম্বইয়ের সেমিফাইনালের উইকেটের মতো। অর্থাৎ, আরও একটি হাই-স্কোরিং ম্যাচ হবে। ওয়াংখেড়েতে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করে ভারত। শোনা যাচ্ছে, আহমেদাবাদের পিচও ব্যাটিং সহায়ক হবে। বিশেষ সুবিধা পাবে না বোলাররা।
ফাইনালে সেন্টার পিচ ব্যবহার করা হবে। লাল এবং কালো মাটির মিশ্রণে পিচ তৈরি হচ্ছে। ব্যাটিং পিচ হলেও, বোলারদের জন্য বাউন্স থাকবে। তবে রান দুশোর কাছাকাছি হবে। এই পিচে চলতি বিশ্বকাপের এখনও পর্যন্ত মাত্র একটি ম্যাচ হয়েছে। ২১৩ রান করে কানাডাকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ড একটি ম্যাচ খেলেছে। ভারত খেলেছে দুটি। তারমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্রী হার। একটি সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, মিশ্র মাটির পিচ হলেও তাতে লাল মাটির পরিমাণ বেশি থাকবে। যার অর্থ, উইকেট থেকে সাহায্য পাবে ব্যাটররা। তবে পাশাপাশি দুই ইনিংসে বাউন্স থাকতে পারে। কিন্তু কেন পিচে লাল মাটি বেশি?
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারতের দুটো গুরুত্বপূর্ণ হারের কথা মাথায় রেখেই এমন পিচ বানানো হচ্ছে। ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে কালো মাটির পিচে হারে রোহিত শর্মার ভারত। সদ্য দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেও হার কালো মাটির পিচে। এই দুই হারে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের চোখ খুলে গিয়েছে। তাই ফাইনালের পিচ বদলে ফেলা হচ্ছে। এক সূত্র জানান, 'ফাইনালে মিশ্র মাটির পিচ পাবে ভারত। স্পোর্টিং পিচ হবে। লাল মাটি বেশি থাকায় বাউন্স থাকলেও সুবিধা পাবে ব্যাটারররা। কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বকাপের বেশ কিছু পিচ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন গৌতম গম্ভীর সহ টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই এবার স্থানীয় পিচ কিউরেটরকে আগে থেকেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালীন স্টাফ মেম্বারদের পাঠানো হয় পিচ কিউরেটরদের সঙ্গে কথা বলতে। তাই ফাইনালের পিচ ভারতীয় দলের খেলার ধরনের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে।
