আজকাল ওয়েবডেস্ক: জকোভিচ, নাদাল ও ফেডেরারের নজির স্পর্শ করলেন জানিক সিনার। মাদ্রিদ ওপেনের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের আর্থার ফিলসকে ৬–২, ৬–৪ ব্যবধানে হারিয়ে মাদ্রিদ ওপেনের ফাইনালে উঠেছেন বিশ্বের একনম্বর টেনিস খেলোয়াড়। সঙ্গে স্পর্শ করেছেন তিন কিংবদন্তিকে।
মাদ্রিদ ওপেনের ফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসাবে ন’টি এটিপি মাস্টার্স প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠলেন ইতালির তারকা। ২৪ বছরের সিনারের আগে এই কৃতিত্ব ছিল জকোভিচ, ফেডেরার এবং নাদালের।
২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রতিটি মাস্টার্স প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন সিনার। এত কম বয়সে কেউ এই কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। ২০১৩ সালে নোভাক জকোভিচের গড়া বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি। জকোভিচ ন’টি মাস্টার্সের ফাইনালে উঠেছিলেন ২৫ বছর ১৩৯ দিন বয়সে। ২০১৩ সালে সাংহাই ওপেনের ফাইনালে উঠে নজির গড়েছিলেন বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর খেলোয়াড়। সিনার এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন ২৪ বছর ২৫৬ দিন বয়সে।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে এখন নাদাল। তিনি ২৭ বছর ৬৯ দিন বয়সে ন’টি মাস্টার্সের ফাইনালে ওঠার মাইলফলক স্পর্শ করেন ২০১৩ সালের সিনসিনাটি ওপেনে। বিশ্বের আর এক প্রাক্তন এক নম্বর ফেডেরার এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন ২০১৩ সালের প্যারিস ওপেনে। সে সময় ফেডেরারের বয়স ছিল ৩০ বছর ৯১ দিন। জকোভিচ, নাদাল এবং ফেডেরার একই বছরে ন’টি এটিপি মাস্টার্স ফাইনালে ওঠার মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন। তাঁদের ১৩ বছর পর বিশ্বের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসাবে সেই কীর্তি স্পর্শ করলেন সিনার।
প্রসঙ্গত, এটিপি প্রতিযোগিতায় ৪৩৮ ম্যাচ খেলে এই নজির গড়লেন সিনার। তিনি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুততম। তবে অক্ষত থাকল নাদালের বিশ্বরেকর্ড। তিনি ৪২৯ ম্যাচে মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। অবশ্য সবচেয়ে কম ৪১টি মাস্টার্স প্রতিযোগিতা খেলে এই কীর্তি গড়েছেন সিনার।















