আজকাল ওয়েবডেস্ক: গুয়াহাটিতে আবার বৈভব সূর্যবংশী শো। আগের দিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে সংক্ষিপ্ত ইনিংসে দলের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ৩৯ রানে ফিরতে হয়। আউট হওয়ার পর হতাশা চোখে মুখে স্পষ্ট ছিল। এদিন আর তার পুনরাবৃত্তি ঘটেনি। আইপিএলে আরও একটি দুর্ধর্ষ ইনিংস উপহার ১৫ বছরের বিষ্ময় বালকের। রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ২০২ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেন বৈভব। ঝড়ের গতিতে ব্যাটিং। মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছে যান। বর্ষাপারা স্টেডিয়ামে ছয়, চারের বন্যা। আরসিবির কোনও বোলারকে রেয়াত করেননি। যেভাবে ব্যাট করছিলেন, মনে হচ্ছিল অনায়াসেই শতরানে পৌঁছে যাবেন। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়ে ক্রুনাল পাণ্ডিযার বলে বাউন্ডারির কাছে বিরাট কোহলির হাতে ধরা পড়েন।

মাত্র ২৬ বলে ৭৮ রান করে আউট হন। মারকুটে ইনিংসে ছিল ৭টি ছয়, ৮টি চার। স্ট্রাইক রেট ৩০০। ভারতকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানোর পর আইপিএলের শুরু থেকেই দুর্ধর্ষ ফর্মে বৈভব। চার ম্যাচে তিনটে অর্ধশতরান। এদিন যেভাবে ব্যাট করছিলেন সূর্যবংশী, মনে হয়েছিল অনায়াসেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে রাজস্থান। কিন্তু আরসিবিকে দলে ফেরান ক্রুনাল। এক ওভারে ফেরান বৈভব সূর্যবংশী এবং শিমরন হেটমেয়ারকে। 

শুক্রবার প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২০১ রান তোলে বেঙ্গালুরু। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ১৬ বলে ৩২ রান করে আউট হন বিরাট কোহলি। প্রথম বলেই ফেরেন ফিল সল্ট। রান পাননি দেবদত্ত পাডিক্কল, ক্রুনাল পাণ্ডিয়া , জিতেশ শর্মা এবং টিম ডেভিড। একা লড়াই করেন রজত পতিদার। চারটি ছয় এবং চারের সাহায্যে ৪০ বলে ৬৩ রান করেন। দলকে লড়াইয়ে ফেরান দলনেতা। শেষদিক গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন রোমারিও শেফার্ড (২২) এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার (২৯)। রান তাড়া করতে নেমে ঝড়ের গতিতে শুরু করে রাজস্থান। বিশেষ করে বৈভব। এদিন ব্যর্থ যশস্বী জয়েসওয়াল। ১৩ রানে ফেরেন। দ্বিতীয় উইকেটে ১০৮ রান যোগ করে সূর্যবংশী এবং ধ্রুব জুরেল জুটি। তারমধ্যে সিংহভাগ রান বৈভবের। চোট সারিয়ে ম্যাচে ফেরেন জস হ্যাজলউড। নেন জোড়া উইকেট। কিন্তু রাজস্থানকে ম্যাচে ফেরান ক্রুনাল। তুলে নেয় সূর্যবংশীর উইকেট। দ্রুত চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান।