আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দুই ম্যাচে এক জয়। এক হার। আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলে সাত নম্বরে আছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। এদিকে, লখনউ সুপার জায়ান্টস বোলার আবেশ খানকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ, তিনি নাকি নিয়ম ভেঙেছেন। 


ঘটনাটি ঘটেছে লখনউ–হায়দরাবাদ ম্যাচে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য লখনউয়ের দরকার ছিল ৯ রান। ঋষভ পন্থ দু’টি বাউন্ডারি মেরে দিয়েছিলেন। পঞ্চম বলটি মিড অফের উপর দিয়ে মারেন তিনি। সেখানে কোনও ফিল্ডার ছিল না। কিন্তু বল বাউন্ডারি পার হওয়ার আগেই বাউন্ডারির বাইরে থাকা আবেশ ব্যাটের আঘাতে বলটি আবার ভিতরে পাঠিয়ে দেন। যদিও আম্পায়াররা সেটি চার হিসাবেই ধরেন। ম্যাচ জিতে যায় লখনউ।


এদিকে, আবেশের বিরুদ্ধে ক্রিকেটের আইনের ২০.১ ও ৪১ ধারা ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে। ২০.১ ধারা অনুযায়ী, বল ডেড হওয়ার আগে তাতে দু’বার ব্যাট দিয়ে আঘাত করা যায় না। আর ঠিক সেটাই করেছেন আবেশ। ৪১ ধারা অনুযায়ী, খেলা চলাকালীন জলপানের বিরতি, স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউট বা ব্যাটারের কোনও অনুরোধ ছাড়া ব্যাটিং দলের কেউ মাঠে ঢুকতে পারেন না। আবেশ যখন বল মেরেছেন, তখনও সেটি বাউন্ডারি পার হয়নি।


এই ঘটনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যদি মনে করে তো আবেশকে শাস্তি দিতে পারে। কারণ, এই ধরনের ঘটনা ক্রিকেটের পক্ষে ভাল বিজ্ঞাপন নয়। খেলার মাঠে উত্তেজনার বশে কিছু কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আবেশ মাঠের বাইরে ছিলেন। খেলার মধ্যে তাঁর নাক গলানোর প্রয়োজন ছিল না। সেটাই করেছেন তিনি।    এর ফলে জরিমানা হতে পারে আবেশের। এমনকী নির্বাসিতও হতে পারেন তিনি। 


এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিসিসিআইয়ের কাছে অভিযোগ জানাতে পারে হায়দরাবাদ। তিন ম্যাচে তিন সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ তাদের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ের সময় ক্লাসেনের বল বাউন্ডারিতে ধরেছিলেন ফিল সল্ট। হায়দরাবাদের অভিযোগ, সল্টের শরীর বাউন্ডারি ছুঁয়েছিল। পরের ম্যাচে অভিষেক শর্মার শট মাটিতে পড়ার আগে তা ধরে ফেলেন কেকেআরের বরুণ চক্রবর্তী। বরুণ ধরার আগে বল মাটি ছুঁয়েছিল বলে মনে করে হায়দরাবাদ। আর তৃতীয় ম্যাচে আবেশের এই কাণ্ডে যথেষ্টই বিরক্ত সানরাইজার্স হায়দরাবাদ কর্তৃপক্ষ।