আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইতিহাসে শ্রেয়স আইয়ার। আইপিএলে অধিনায়ক হিসেবে ১০০ ম্যাচ খেলে ফেললেন তারকা ক্রিকেটার। রবিবার ধর্মশালায় রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে এই নজির গড়েন। কোটিপতি লিগে মোট তিনটে দলকে নেতৃত্ব দেন। শুরু করেন দিল্লি ক্যাপিটালস দিয়ে। তারপর কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবার পাঞ্জাব কিংস। দিল্লির হয়ে ৪১টি ম্যাচে নেতৃত্ব দেন। কেকেআর এবং পাঞ্জাবের হয়ে অধিনায়কত্ব করেন ২৯টি ম্যাচে। তারমধ্যে ৫৬টি ম্যাচ জেতেন। সুপার ওভারে দুটো জয়ও রয়েছে। হেরেছে ৪০টি ম্যাচ। তিনটে ম্যাচ অমীমাংসিত শেষ হয়। জয়ের শতাংশ ৫৮.৩। আইপিএলে জয়ের সর্বোচ্চ হারে এমএস ধোনিকে ছুঁয়ে ফেলেন শ্রেয়স। 

গত দশ বছরে আইপিএলের সেরা অধিনায়কদের মধ্যে নিজেকে অন্যতম হিসেবে প্রমাণিত করেছেন। আইপিএলের ইতিহাসে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে তিনটে আলাদা দলকে ফাইনালে তোলেন। এই রেকর্ড অন্য কারোর নেই। ২০২০ ফাইনালে শ্রেয়সের নেতৃত্বে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলে দিল্লি। ২০২৪ আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কেকেআর। গতবছরও তাঁর নেতৃত্বে আরসিবির বিরুদ্ধে ফাইনালে খেলে পাঞ্জাব। আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম অধিনায়ক হিসেবে ১০০ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়লেন। এমএস ধোনি, রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি এবং গৌতম গম্ভীরদের এলিট তালিকায় প্রবেশ করলেন শ্রেয়স। 

নেতৃত্বের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও সফল মুম্বইকর। সম্প্রতি কেএল রাহুলের পর দ্বিতীয় অধিনায়ক হিসেবে দুটো আলাদা ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ১০০০ রানের বেশি করেন। দিল্লি ক্যাপিটালস এবং পাঞ্জাব কিংসের হয়ে এই নজির গড়েন। চলতি আইপিএলে শুরুটা দারুণ করেও, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি পাঞ্জাব। একসময় একনম্বরে থাকা দল টানা পাঁচ ম্যাচ হেরে প্লে অফ থেকে ছিটকে যাওয়ার মতো জায়গায় চলে গিয়েছে। চলতি আইপিএলে ১১ ম্যাচে ৩৯৬ রান শ্রেয়সের। গড় ৪৯.৫০। স্ট্রাইক রেট ১৬৪.৩১। তারমধ্যে রয়েছে পাঁচটি অর্ধশতরান। কিন্তু শেষ পাঁচ ম্যাচে তেমন রান পাননি। একমাত্র দিল্লির বিরুদ্ধে ৫৯ রান করেন। শেষ পাঁচ ম্যাচে মোট ১১৭ রান করেন আইয়ার। সবকটা ম্যাচই হারে পাঞ্জাব। অধিনায়ক হিসেবে ১০০তম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক। ব্যক্তিগত রানের পাশাপাশি দলকে জয়ে ফিরিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করতে চাইবেন শ্রেয়স।