আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মহম্মদ সামি। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুরন্ত পারফরম্যান্স করেও জাতীয় দলে সুযোগ মিলছে না। দেশের হয়ে শেষ খেলেছিলেন সেই ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। তারপর আর জাতীয় দলে সুযোগ পাননি। যা নিয়ে একাধিকবার সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলে বোর্ডের রোষানলে পড়েছেন। সেই সামি এবার নামবেন আইপিএলে। বুধবার। সামির প্রশ্ন, কেন তাঁকে টি–২০ বোলার হিসেবে ধরা হবে?‌ তিনি বলেছেন, ‘‌মনে হয় না কারও পরিসংখ্যান দেখার প্রয়োজন রয়েছে। আমার মতে, যদি আপনার প্রতিভা ও দক্ষতা থাকে, তাহলে পরিসংখ্যানের কী কাজ। যদি আপনি ভাল খেলেন, তাহলে কাউকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই।’‌


সামি নিজেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানিয়েছেন, ‘‌আইপিএলের পরিসংখ্যান দেখুন। আমার ধারেকাছে কোনও ভারতীয় বোলার রয়েছে? তার পরেও আমি টি২০ বোলার নই। গত পাঁচ–ছ’বছরে ১৩০ উইকেট নিয়েছি। আর কী করতে হবে আমাকে?’‌


এটা ঘটনা, গত সৈয়দ মুস্তাক আলি টি–২০ ক্রিকেটে সাত ম্যাচে ১৬ উইকেট নিয়েছেন সামি। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আইপিএলে ৫৬ ম্যাচে ৭৩ উইকেট নিয়েছেন। 


গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ বার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেশের হয়ে টি–২০ খেলেছিলেন সামি। তার পর থেকে বুমরা ও অর্শদীপ দলের প্রধান দুই পেসারের জায়গা নিয়েছেন। তৃতীয় পেসার হিসাবে রয়েছেন হর্ষিত রানা। তিনি চোট পাওয়ায় টি–২০ বিশ্বকাপে মহম্মদ সিরাজকে খেলিয়েছে ভারত। তারপরেও সামিকে নেওয়া হয়নি।
এটা ঘটনা, চোট সারিয়ে ফেরার পর থেকে ব্রাত্য সামি। ভারতের প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকার জানিয়েছিলেন, সামির চোট নিয়ে কোনও তথ্য তাঁদের কাছে নেই। জবাবে আগরকারকে নিশানা করে শামি জানিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেননি। 


গত বছর আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে ছিলেন সামি। তবে ভাল খেলতে পারেননি তিনি। এবার নিলামের আগে ১০ কোটি টাকা দিয়ে সামিকে দলে নিয়েছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। দলের যা পেস আক্রমণ, তাতে সামিই নেতা। এখন দেখার আইপিএলে তিনি কেমন পারফর্ম করেন। 

‌‌