আজকাল ওয়েবডেস্ক: দীপক চাহার এবং শার্দুল ঠাকুরকে বসাতেই জয়ে ফিরল মুম্বই। সোমবার গুজরাট টাইট্যান্সকে ৯৯ রানে হারায়। দুই সিনিয়র বোলারকে বসিয়ে অশ্বিনী কুমার এবং কৃষ ভগতকে সুযোগ দেওয়া হয়। ম্যাচের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হন প্রথমজন। ২৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন অশ্বিনী। ২ ওভারে ১০ রান দেন ভগত। বোলারদের দাপুটে পারফরম্যান্স ১০০ রানের মধ্যে শেষ হয়ে যায় গুজরাটের ইনিংস। মুম্বইয়ের জয়ের পর বিশেষ বার্তা দেন কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। আর চাহার এবং শার্দুলকে না খেলানোর পরামর্শ দেন। বরাবরই চাঁচাছোলা কপিল দেবের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য। কয়েকদিন আগে এই দু'জনের হাতে টাকা ধরিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্টকে। এই দু'জনকে বসিয়ে সাফল্য আশায় উচ্ছ্বসিত ভারতের প্রাক্তনী।
শ্রীকান্ত বলেন, 'ভাগ্যিস দীপক চাহার এবং শার্দুল ঠাকুরকে বসানো হয়েছে। আমি নিশ্চিত, এই মুহূর্তে মুম্বই ওদের ছায়ার তলায় বিশ্রাম নিতে বলবে, এবং জীবনেও মাঠে না নামার পরামর্শ দেবে।' গুজরাটের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন হয় মুম্বইয়ে। শুরুতেই বল দেওয়া হয় যশপ্রীত বুমরাকে। ইনিংসের প্রথম বলে সাই সুদর্শনকে প্যাভিলিয়নে পাঠান। চলতি আইপিএলে বুমরার প্রথম উইকেট। মুম্বইয়ের বোলারদের বোলিংয়ে মুগ্ধ শ্রীকান্ত। বলেন, 'যে লাইন অ্যান্ড লেন্থে মুম্বইয়ের বোলাররা বল করছে, প্রশংসা করতেই হবে। টেস্ট ম্যাচের মতো।' বিশেষ করে তরুণ বোলারদের প্রশংসা করেন। তবে প্লে অফের পথ এখনও কঠিন পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের। ছয়ের মধ্যে মাত্র দুটোতে জিতে টেবিলে সপ্তম স্থানে আছে মুম্বই। প্লে অফের ছাড়পত্র পেতে হলে, আরও অনেক উন্নতি করতে হবে হার্দিকদের।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে অজিঙ্ক রাহানেকে নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন শ্রীকান্ত। কেকেআরের অধিনায়কের পদ থেকে অবিলম্বে সরানোর দাবি জানান। এমনকী দল থেকে বাদ দেওয়ার কথা তোলেন। 'শ্রীকান্ত বলেন, 'আমি অজিঙ্ক রাহানেকে আরও একটা বা দুটো সুযোগ দেব। যদি ব্যর্থ হয়, মরশুমের মাঝপথে ওকে সরিয়ে সুনীল নারিনকে অধিনায়ক করব। শুধু প্রয়োজন পড়লেই রাহানেকে ব্যাট করতে পাঠানো উচিত। নয়তো শুধু অধিনায়কত্ব করুক। মিডল অর্ডারে ওর ব্যাট করা উচিত নয়। ওকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত ভুল। কিন্তু এবার কি ওকে বসানোর ঝুঁকি নেবে?' শেষ দুই ম্যাচে প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হন রাহানে। এরপর হয়ত এই প্রশ্ন আরও বেশি করে উঠবে।















