আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী কে হবেন? কে পাবেন ২০২৬ আইপিএলের পার্পল ক্যাপ? এগিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বরুণ চক্রবর্তী। এমনটাই মত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক ফাফ ডু’প্লেসির।
২০০৮ সালে প্রথমবার আইপিএলে পার্পল ক্যাপ পেয়েছিলেন পাকিস্তানের সোহেল তনভীর। এছাড়াও এই পুরস্কার পেয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা, আরপি সিং, মরনি মরকেল, ডোয়েন ব্র্যাভো, হর্ষল প্যাটেল, ভুবনেশ্বর কুমার, কাগিসো রাবাদা, ইমরান তাহির, মহম্মদ সামি, যজুবেন্দ্র চাহাল। ২০২৫ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন প্রসিধ কৃষ্ণা।
এবার কে পাবেন এই পার্পল ক্যাপ? বরুণকেই এগিয়ে রাখছেন ডু’প্লেসি, হরভজন সিং, পীযূষ চাওলারা। স্টার স্পোর্টসের বিশেষজ্ঞদের প্যানেলদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মত, এবার সবাইকে ছাপিয়ে যাবেন বরুণ। তবে এটা ঘটনা, ২০২৬ টি–২০ বিশ্বকাপের শেষের দিকটা ভাল যায়নি বরুণের। তবে পুজারা, সাবা করিমরা এগিয়েই রাখছেন বরুণকে। যদিও বিশ্বকাপে বুমরার সঙ্গে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী তিনি।
২০২৫ আইপিএলে ১৭ উইকেট নিয়েছিলেন বরুণ। তার আগের দুই আইপিএলে ২০–র বেশি উইকেট নিয়েছিলেন। আইপিএলে গতবারই উইকেটসংখ্যা ১০০ হয়ে গিয়েছে বরুণের।
কেউ কেউ আবার জসপ্রীত বুমরার কথা বলছেন। টি–২০ বিশ্বকাপে বরুণের সঙ্গে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী বুমরা। গত বছর আইপিএলে ১৮ উইকেট পেয়েছিলেন। যদিও আইপিএলে এখনও একবারও পার্পল ক্যাপ পাননি বুমরা। ২০২০ আইপিএলে ২৭ উইকেট পেয়েও পার্পল ক্যাপ পাননি তিনি। প্রাক্তন ক্রিকেটার ইরফান পাঠানের ভোট রয়েছে বুমরার দিকে। অনেকে আবার প্রসিধ কৃষ্ণার নামও করছেন। তবে সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে বরুণ চক্রবর্তীকেই।
এদিকে, লখনউ সুপার জায়ান্টসকে নেতৃত্ব দেবেন ঋষভ পন্থ? গতবার পন্থকে অধিনায়ক করে সাফল্যের মুখ দেখেনি এলএসজি। অধিনায়ক হিসেবে ব্যর্থ তো হয়েছিলেনই, ব্যাট হাতেও ডাহা ফেল করেছিলেন। ১৩ ইনিংসে মাত্র ১৫১ রান করেছিলেন। গড় ছিল ১১.৬১। আরসিবির বিরুদ্ধে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ১১৮ অবশ্য করেছিলেন পন্থ।
এবার চোট সারিয়ে একেবারে আইপিএলে ফিরছেন পন্থ। কতটা ছন্দে আছেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এক্স হ্যান্ডলে লখনউ সুপার জায়ান্টস মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা লেখেন, ‘মরশুম শুরুর আগে পন্থের অধিনায়কত্ব নিয়ে নানা জল্পনা দেখেছি, আর হেসেছি। আমরা একে অপরকে অনেক দিন ধরে চিনি। ওর চরিত্র ও প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে নিশ্চিত। ভাল একটা মরশুম কাটাও, ক্যাপ্টেন!’ অর্থাৎ দলের মালিকই যা স্পষ্ট করার তা করে দিলেন। পন্থের উপর আস্থা হারাচ্ছে না এলএসজি ম্যানেজমেন্ট।















