আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতা-লখনউ ম্যাচ দুলল পেন্ডুলামের মতো। কখনও কলকাতা, কখনও লখনউ জেতার মতো পরিস্থিতি তৈরি করলেও শেষমেশ সুপার ওভারে কেকেআর জয় ছিনিয়ে নিল।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৭ রান। নাটকীয় শেষ ওভারে মহম্মদ সামি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ নিয়ে যান সুপার ওভারে।
সুপার ওভারে বড়সড় ভুল করে বসে এলএসজি টিম ম্যানেজমেন্ট। সুপার ওভারে ওপেন করতে পাঠানো হয় নিকোলাস পুরানকে। কলকাতার হয়ে প্রথম ওভার করতে আসেন সুনীল নারিন।
এর আগে ২০১৪ সালের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের সুপার ওভারে পুরানকে রানই নিতে দেননি নারিন। যদিও নারিনের বিরুদ্ধে পুরানের এই পরিসংখ্যান দলের জানা ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পুরানের সাম্প্রতিক ফর্ম হতাশাজনক। আট ইনিংসে মাত্র ৮২ রান করেন তিনি। তবুও তাঁকেই সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠানো হয়।
প্রথম বলেই বেপরোয়া শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন পুরান। সেই ওভারেই মার্করামকে ফেরান নারিন। এলএসজি মাত্র এক রান করে সুপার ওভারে।
ব্যাট করতে নেমে রিঙ্কু সিং প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে কলকাতাকে জেতান। সুপার ওভারে পুরানকে ওপেন করতে পাঠানো নিয়ে প্রশ্ন ধেয়ে আসে পন্থের দিকে। প্রশ্ন করা হয় জাস্টিন ল্যাঙ্গারকেও। লখনউয়ের হেড কোচ ল্যাঙ্গার বলেন, ''আমরা জানতাম নারিন বল করবে। আর পুরানই ওর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি খেলেছে। তাই আমরা ভেবেছিলাম পুরনাই সেরা বিকল্প।''
ল্যাঙ্গার আরও বলেন, ''পুরান এখনও নিজের সেরা ফর্মে নেই, সেটা ও নিজেও মানে। কিন্তু সুপার ওভারে পরিস্থিতি সামলাতে পুরানই আমাদের ভরসা। দুর্ভাগ্যবশত এদিন সেটা কাজে লাগেনি।''
চলতি আইপিএলে পুরানের পারফরম্যান্স একেবারেই ভাল নয়। অধিনায়ক ঋষভ পন্থের জন্য তিন নম্বর পজিশন হারানোও তাঁর ফর্মে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ল্যাঙ্গার বলেন, ''গত কয়েক বছরে বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের একজন। তবে ক্রিকেট এমনই খেলা, এখানে আত্মবিশ্বাস লুকানো যায় না। আমরা প্রতিদিন ওর সঙ্গে কাজ করছি, ও নিজেও কঠোর পরিশ্রম করছে।''
এদিকে এলএসজি পয়েন্ট তালিকার শেষে। আট ম্যাচে ছ'টিতে হার। এলএসজি-র পরবর্তী ম্যাচ ৪ মে। প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।















