আজকাল ওয়েবডেস্ক: উঠল না অভিষেক শর্মা ঝড়। ট্র্যাভিস হেডও বিপজ্জনক হলেন না। নীতীশ রেড্ডিও ফিরে গেলেন দ্রুত। যে দলের তিনশো রান করার মতো মশলা রয়েছে, সেই দলই হয়ে গেল ২৯ রানে তিন উইকেট। গ্যালারিতে বসা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালকিন কাব্য মারানের মুখ গম্ভীর। চিন্তিত সানরাইজার্স ভক্তরা। তবে কি দ্রুত মুড়িয়ে যাবেন ঈশান কিষানরা?
এখানেই কাহানি মে টুইস্ট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে তাঁকে তিন নম্বরে পাঠিয়ে মোক্ষম চাল দিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তারুণ্যের জোশ দেখেছিল গোটা দেশ। সেই ঈশান কিষানের হাতে এবার সানরাইজার্সের নেতৃত্বের ব্যাটন। একদা বোর্ডের ব্যাড বয় শনি-সন্ধ্যায় ধরা দিলেন অন্য অবতারে। তিনি ও হেনরিক ক্লাসেন ইনিংসকে গড়তে শুরু করেন।
ঈশান কিষানের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি বিশ্বকাপে ঠিক যেখানে শেষ করেছেন আইপিএলে ঠিক সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন। ঈশান ও ক্লাসেন ৯৭ রান জুড়লেন। ওই ৯৭ রান সানরাইজার্সকে ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল। ঈশান ও ক্লাসেনের পার্টনারশিপে উজ্জ্বল ছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক স্বয়ং। সবাই যখন ধরেই নিয়েছেন এই দুই ব্যাটার সানরাইজার্সকে পৌঁছে দেবেন রানের শিখরে, ঠিক তখনই ইন্দ্রপতন। রোমারিও শেফার্ডের বলে ফিরলেন হেনরিক ক্লাসেন (৩১)। ক্লাসেন বড় শট খেলতে দক্ষ সবাই জানেন। যে কোনও সময়ে তিনি ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন এও সবার জানা। ফিল সল্ট বাউন্ডারি লাইনে ওই দুর্দান্ত ক্যাচ না ধরলে ক্লাসেন হয়তো আরও বিস্ফোরণ ঘটাতেন।
ঈশান কিষান ও ক্লাসেনের পার্টনারশিপ ভাঙার পরই সানরাইজার্সের রানের গতি মন্থর হতে শুরু করে। এর সঙ্গে যোগ হয় পরপর উইকেট যাওয়া। সলিল আরোরা ফিরলেন মাত্র ৯ রানে। ঈশান কিষান সেঞ্চুরির আভাস দিয়ে ফিরলেন ৮০ রানে। অভিনন্দন সিং প্রথম উইকেটটি পেলেন ঠিকই। তবে উইকেটটি তো ফিল সল্টের। পাখির মতো শরীর ছুড়ে ক্যাচ ধরলেন তিনি। হর্ষ দুবে, হর্ষল প্যাটেল দ্রুত ফিরলেন। তবে অনিকেত ভার্মা ১৮ বলে চটজলদি ৪৩ রান করায় সানরাইজার্স ২০ ওভারের শেষ তুলল ৯ উইকেটে ২০১ রান। এই রান যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের প্রত্যুত্তরের অপেক্ষায় গোটা দেশ। দিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ক্যাচ ফেললেন বিরাট কোহলি।















