আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর ভারতীয় ক্রিকেট  কন্ট্রোল বোর্ডকে অনুরোধ করেছেন, আইপিএলের নিলামে নির্বাচিত হওয়ার পর যাঁরা যথাযথ কারণ ছাড়া টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়, তাঁদের আরও কঠোর শাস্তি দিতে হবে। শেষ মুহূর্তে আইপিএল থেকে নাম প্রত্যাহার করলে বিসিসিআই দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু গাভাসকরের মতে এই শাস্তি যথেষ্ট নয়।

বেন ডাকেট আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানোর পরে এই মন্তব্য করেছেন সানি। দিল্লি ক্যাপিটালস ২ কোটি টাকায় কিনেছিল ডাকেটকে। ‘ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট’-এর কারণ দেখিয়ে তিনি সরে দাঁড়ান। ভারতের সর্বকালের সেরা ওপেনার বলেন, ডাকেট দ্য হান্ড্রেডে ভাল দামে বিক্রি হয়েছে। এই কারণে আইপিএল ছেড়ে দিয়েছে। একটি সংবাদমাধ্যমকে লিটল মাস্টার বলেছেন, ''এটি কঠিন বিষয়। বেন ডাকেট ভাল অ্যাশেজ সিরিজ খেলেছে। দ্য হান্ড্রেড-এর নিলামে বড় অঙ্কে যদি ওকে কেনা না হত, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হত। দ্য হান্ড্রেডে এত ভাল দামে বিক্রি হওয়ার পরে, ডাকেট আইপিএল খেলতে চায়নি। বলেছে ইংল্যান্ডের টেস্ট কেরিয়ারে মনোযোগ দিতে চায়।'' এর পরেই সানি বোর্ডকে আরও কঠিন হতে বলেন, ''বিসিসিআইকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা কাজ করছে না। এমন কিছু করতে হবে যা সত্যিই প্রভাব ফেলবে। যতক্ষণ না এটি সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের উপরে এবং তাঁর আইপিএলে ফেরার সম্ভাবনার ওপর প্রভাব ফেলছে, ততক্ষণ এটি কাজ করবে না।''  

ডাকেটের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন তিনি দুই মরশুম আইপিএল খেলতে পারবে না। উল্লেখ্য, হ্যারি ব্রুকও দুই বছরের আইপিএল নিষেধাজ্ঞা ভোগ করছেন। এর আগে, হ্যারি ব্রুক আইপিএল ২০২৫ থেকে সরে দাঁড়ান। ও তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনা হয়েছিল।

ক্রিকেটাররা বিসিসিআই-এর নিয়মকে অনেক সময় কাজে লাগিয়েছে। এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে কম দামে বিক্রি হওয়ার পর ক্রিকেটাররা অন্য কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিসিসিআই দীর্ঘদিন এই বিষয়ে নমনীয় ছিল। কিন্তু পরে দু'বছরের নিষেধাজ্ঞা লাগু করে। শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ালে দলের ভারসাম্য নষ্ট হয়। যদিও বিকল্প ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ থাকে। এবার কিন্তু চারদিক থেকে ধেয়ে আসছে সমালোচনা। ক্রমবর্ধমান এই  সমালোচনার মুখে বিসিসিআই হয়তো সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আরও কঠোর শাস্তি আরোপ করতে পারে।