আজকাল ওয়েবডেস্ক: এই কারণেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল। দুশোর উপর রান তাড়া করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ১৫.৪ ওভারেই ম্যাচ জিতে নিল আরসিবি। বিরাট কোহলি দেখিয়ে দিলেন তিনি এখনও চেজমাস্টার। ৩৮ বলে ৬৯ রানে অপরাজিত থেকে যান কোহলি। 

শনিবার টস জিতে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পতিদার। 

ঈশান কিষানের দল ২০ ওভারে ২০১ রান করে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এই রান যথেষ্টই। কিন্তু সেই রান তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতল। যেভাবে রান তাড়া করে আরসিবি ম্যাচ জিতল তা দেখে অনেকেরই মনে হচ্ছিল ২৫০ করলেও শেষ হাসি তোলা থাকত আরসিবির জন্যই। 

সানরাইজার্সের রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে ফিল সল্ট (৮) দ্রুত ফিরে গেলেও বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড়িক্কল সানরাইজার্স শিবির থেকে ম্যাচ নিয়ে এলেন আরসিবির ক্যাম্পে। দেবদত্ত পাড়িক্কল ২৬ বলে ৬১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন। তাঁর সামনে বিরাট কোহলিকেও তখন ম্লান দেখাচ্ছিল। কিন্তু খেলা যত গড়াল কোহলি ফিরলেন বিরাট অবতারে। অবলীলায় তিনি প্রতিপক্ষের বোলারদের গ্যালারিতে পাঠালেন। পাঁচটি চার ও পাঁচটি ছক্কা মারলেন তিনি। কেন যে ২০২৪ সালে তিনি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে অবসর নিলেন, তা কোহলিই বলতে পারবেন। 

সানরাইজার্সের ইনিংসে ঈশান কিষান ও ক্লাসেন ৯৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ে হায়দরাবাদের ইনিংসকে গড়েছিলেন। কোহলি ও পাড়িক্কলের ১০৯ রানের পার্টনারশিপ সানরাইজার্সকে রিংয়ের বাইরে ফেলে দিল বলে দেওয়াই যায়। 

আইপিএলে নামার আগে জানুয়ারিতে শেষ বার খেলেছেন কোহলি। কিন্তু তাঁকে দেখে এদিন বোঝাই যায়নি যে প্রায় মাস দুয়েক পরে তিনি আবার খেলতে নেমেছেন। ব্যাট-বলের টাইমিং সেই আগের মতোই রাজকীয়। ইনিংস নিয়ন্ত্রণ করে গেলেন তিনি। পাড়িক্কল ফেরার পরে আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার ১২ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে আরসিবি-কে জয়ের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেন। পাতিদারের ইনিংসে ছিল ২টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কা। জীতেশ শর্মা প্রথম বলেই নিজের উইকেট ছুড়ে দিলেও আরসিবির ম্যাচ জিততে সমস্যা হয়নি।   কোহলি ও টিম ডেভিড অপরাজিত থেকে আরসিবি-কে ম্যাচ জেতালেন।