আজকাল ওয়েবডেস্ক: উপেক্ষিত ফাস্ট বোলার মহম্মদ সামি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে বিসিসিআই নির্বাচকদের কাছে বড় বার্তা পাঠালেন।

তিনি পারফর্ম করেও জাতীয় দলে ডাক পাচ্ছেন না। রবিবার লখনউ বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচে সামি চার ওভারে মাত্র ৯ রান দেন। উইকেট নেন দু'টি।  এই স্পেলে তিনি ১৮টি ডট বল করেন এবং অভিষেক শর্মা ও ট্র্যাভিস হেডের মতো মারাত্মক ব্যাটারের উইকেট নেন। 

সামি ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর থেকে আর দেশের হয়ে খেলেননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ কিংবা তার পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য তাঁকে দলে বিবেচনা করা হয়নি। তবুও সামি দমছেন না। তিনি বল হাতে ম্যাজিক দেখিয়েই চলেছেন।

সানরাইজার্স হেনরিক ক্লাসেন ও নীতীশ রেড্ডির দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাকে সানরাইজার্সকে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৬ রানে পৌঁছে দেন। লখনউ টস জিতে ফিল্ডিং নেয়। শুরু থেকেই হায়দরাবাদ বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। সামি প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন। অভিষেক শর্মাকে শূন্য রানে আউট করেন স্লোয়ারে। 

হেডকেও স্লোয়ারে ফেরান সামি।  পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় যখন প্রিন্স যাদবের  ইনসুইং বলে ঈশান কিষান  বোল্ড হন। ৪ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেটে ১১ রান হয়ে যায় সানরাইজার্স। 

চাপ বাড়তে থাকে এবং নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। লিয়াম লিভিংস্টোন  পাল্টা আক্রমণ করার চেষ্টা করেন। দিগ্বেশ রাঠির বলে ইনিংস শেষ হয় লিভিংস্টোনের। ১০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৫ রান। এই অবস্থায় হায়দরাবাদকে টেনে তোলেন ক্লাসেন এবং রেড্ডি।  শুরুতে তাঁরা ধীরস্থিরভাবে ইনিংস গড়ে তোলেন। পরে  ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ান।

মাঝের ওভার পার হওয়ার পর তাঁদের পার্টনারশিপ ফুল ফোটাতে শুরু করে।  ক্লাসেন ১৪-তম ওভারে আবেশ খানের ওভারে টানা চারটি বাউন্ডারি মারেন। আর নীতিশ স্পিনারদের বিরুদ্ধে লং-অন ও ডিপ এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকান।

পঞ্চম উইকেটে ১১৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন এই দুই তারকা।  ক্লাসেন ৩৩ বলে পঞ্চাশ করেন। নীতিশও দ্রুত পঞ্চাশ করেন।  এই জুটি দলকে ভাল জায়গায় পৌঁছে দেন।  ক্লাসেন খেলেন ৬২ রানের ইনিংস। অন্যদিকে নীতীশ রেড্ডি করেন ৫৬ রান।