আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২৫ কোটির ক্য়ামেরন গ্রিন ব্যর্থ। ইডেন গার্ডেন্সে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেওয়া ফিন অ্যালেন গর্জে উঠলেন ওয়াংখেড়েতে। 

আইপিএলের বল গড়ানোর আগে থেকেই তুমুল সমালোচিত নাইট অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে বরং বেশি উজ্জ্বল। পাওয়ারপ্লেতেই রাহানে ও অ্যালেন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বড় রান করবে কেকেআর। তাই হল শেষমেশ।

তরুণ অঙ্গকৃষ রঘুবংশী ও রিঙ্কু সিংয়ের ব্যাট শেষের দিকে কথা বলায় ওয়াংখেড়েতে কলকাতা নাইট রাইডার্স করল ৪ উইকেটে ২২০ রান। রঘুবংশীর কথা আলাদা করে বলতেই হবে। শেষের দিকে বুমরাহর মতো বোলারকে সামলে তিনি নাইটদের ইনিংসে গতি আনেন। 

কেকেআর মালিক শাহরুখ খান তাঁর ছেলেদের একটা কথাই বলে থাকেন, ওয়াংখেড়েতে অন্তত তোমরা জিতো। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আজ কী করবে নাইটরা, তা বলবে সময়। তবে কলকাতা যে রান তুলেছে তা নিঃসন্দেহে অনেকই বলা যায়। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কী করে সেটাই এখন দেখার। 

এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিল। দেশের অন্যতম সেরা ম্যাচ উইনার অনিল কুম্বলে জানান, এই পিচে ব্যাটিং করা সহজ হবে। শুরুর দিকে অবশ্য বোলারদের সামলাতে হবে। তাঁরা এই উইকেটে সুবিধা পাবেন। কিন্তু যত ম্যাচ গড়াবে পিচ হয়ে উঠবে ব্যাটিং বান্ধব। 

ওয়াংখেড়ের এই পিচেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ হয়েছে। প্রায় পাঁচশো রান উঠেছিল। ঐতিহাসিক ওয়াংখেড়ের পিচে যে এদিনও জুজু নেই তা বোঝা যায় কেকেআরের রান দেখে। 

ফিন অ্যালেন ও রাহানে ওপেনিং জুটিতে ৬৯ রান করেন। অ্যালেন ১৭ বলে ৩৭ রান করেন। ৬টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন। বড় রানের ভিত গড়ে দেন এই দুই নাইট। 

ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে এবার নিলামে ঝড় উঠেছিল। ২৫ কোটির বিনিময়ে কেকেআর তাঁকে দলে নেয়। সেই গ্রিন ব্যাটিং করতে নেমে ব্যর্থ হন (১০ বলে ১৮)। 

অধিনায়ক রাহানেকে নিয়ে আইপিএল শুরুর আগে থেকেই আকাশ চোপড়ার মতো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওপেন করা ছাড়া রাহানের দ্বিতীয় কোনও ব্যাটিং পজিশনে কার্যকরী হবেন না। রাহানে ৪০ বলে অধিনায়কোচিত ৬৭ রান করে যান। ৩টি চার ও ৫টি ছক্কা হাঁকান তিনি। 

প্রস্তুতি ম্যাচে অঙ্গকৃষ রঘুবংশী  ৫৫ বলে ১০৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন। এদিন মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মোক্ষম সময়ে ২৯ বলে ৫১ রান করে গেলেন রঘুবংশী।  রিঙ্কু ২১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থেকে যান।