আজকাল ওয়েবডেস্ক: দিল্লি বনাম পাঞ্জাব ম্যাচে ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন লুঙ্গি এনগিডি। দক্ষিণ আফ্রিকার সেই তারকা ক্রিকেটারকে মাঠ থেকে হাসপাতালে গ্রিন করিডর করে ১১ মিনিটে নিয়ে যাওয়ার পিছনে রয়েছেন দিল্লি পুলিশের এসিপি সঞ্জয় সিং।
একসময়ে তিনি ক্রিকেট খেলতেন। গৌতম গম্ভীর, বিরাট কোহলির মতো তারকাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলেছেন। সেই তিনিই দিল্লি পুলিশের এসিপি এখন। তাঁরই তৎপরতায় এনগিডির মাথার চোট বড় আকার ধারণ করেনি।
দিল্লি-পাঞ্জাব ম্যাচ চলাকালীন মিড-অফে ক্যাচ নিতে গিয়ে হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান এনগিডি।
পড়ে যাওয়ার সময়ে প্রোটিয়া তারকার মাথা ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত লাগে বলে আশঙ্কা করা হয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে স্টেডিয়াম থেকে অ্যাম্বুল্যান্স রওনা দেয় এবং মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে রাজিন্দর নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে এনগিডিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
এসিপি সঞ্জয় সিংয়ের উপস্থিত বুদ্ধির জোরেই এই ব্যস্ত রাস্তা অতিক্রম করতে মাত্র ১১ মিনিট সময় লাগে।
স্টেডিয়ামেই উপস্থিত ছিল সঞ্জয় সিং। এনগিডি চোট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বুঝে এসিপি সঞ্জয় সিং দায়িত্ব নেন। অ্যাম্বুল্যান্স চালক গুগল ম্যাপের রুট অনুসরণ করার কথা বলেন। সঞ্জয় সিং সেই রুট অনুসরণ করেননি। তিনি বলেন, ''ওই সময়ে রাস্তায় ভিড় থাকে। গুগল ম্যাপ যে রাস্তা দেখাচ্ছিল সেই রাস্তা ধরে গেলে গাড়ি জ্যামে আটকে যেতে পারত। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ কিন্তু পরিষ্কার রুট নিই এবং কন্ট্রোল রুমকে জানাই।''
এই ধরনের গ্রিন করিডর সাধারণত অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে আগে থেকে পরিকল্পনা করা হয়। ট্র্যাফিক পুলিশের (সেন্ট্রাল রেঞ্জ) ডিসিপি নিশান্ত গুপ্তা জানান, প্রায় ৬০ জন পুলিশকর্মী ও অফিসার ওয়্যারলেসের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখেন। প্রতিটি বড় মোড় পরিষ্কার রাখা হয়, যাতে অ্যাম্বুল্যান্স দ্রুত এগোতে পারে।
হাসপাতালে পৌঁছে এনগিডির প্রয়োজনীয় স্ক্যান ও পরীক্ষা করা হয়। পরে সেই রাতেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
দিল্লি ক্যাপিটালস ও আইপিএল কর্তৃপক্ষ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সুস্থতার খবর জানায়। এনগিডি নিজেও ইনস্টাগ্রামে জানান, তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।















