আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএলে এবার নতুন নিয়ম। কড়া পদক্ষেপ বিসিসিআইয়ের। রিজার্ভ প্লেয়াররা ম্যাচ চলাকালীন মাঠের আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাড়তি প্লেয়ারদের মাঠে প্রবেশ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। ম্যাচের তালিকায় ১৬ জনের বাইরে থাকা প্লেয়ারদের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আচমকা নিয়মে কেন এই পরিবর্তিত হল, সেটা পরিষ্কার নয়। একটি সর্বভারতীয় ক্রিকেট ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নতুন নিয়মের কথা জানিয়ে দিয়েছে। যারা ১৬ জনের তালিকায় নেই, সেইসব প্লেয়ার জল, ব্যাট নিয়ে বা বার্তা পৌঁছতে মাঠে প্রবেশ করতে পারবে না। 

ফ্র্যাঞ্চাইজির এক কর্তা বলেন, 'আমাদের জানানো হয়েছে, সাবস্টিটিউট প্লেয়াররা ম্যাচ চলাকালীন মাঠের আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। ওরা মাঠে ড্রিঙ্কস নিয়েও ঢুকতে পারবে না। শুধুমাত্র ম্যাচের ১৬ জনের তালিকায় যারা থাকবে, তাঁরা করতে পারবে। প্রথম একাদশের বাইরে যে পাঁচজন আছে তাঁদের মাঠে প্রবেশ করার এক্তিয়ার আছে। বাকিরা ডাগআউটে বসতে পারবে, কিন্তু বাউন্ডারি লাইন এবং এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ডের মাঝে ঘোরাফেরা করতে পারবে না।' নিয়ম বদলের কারণ স্পষ্টভাবে জানানো না হলেও, বোঝা যাচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-লখনউ সুপারজায়ান্টস ম্যাচে আবেশ খানের ঘটনার পরই নতুন নিয়ম চালু করেছে বিসিসিআই। 

প্রসঙ্গত, রবিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে হারে সানরাইজার্স। ৭.১ ওভারে ২৬ রান ৪ উইকেট হারায়। হেনরিচ ক্লাসেন এবং নীতিশ কুমার রেড্ডির অর্ধশতরানে লড়াই করার মতো রানে পৌঁছয় হায়দরাবাদ। ৯ উইকেটে ১৫৬ রান তোলে। জবাবে ১৯.৫ ওভারে লক্ষ্য পৌঁছে যায় লখনউ। ৫০ বলে ৬৮ রান করেন ঋষভ পন্থ। জয়দেব উনাদকাতের বলে জয়সূচক রান নেন লখনউযের অধিনায়ক। কিন্তু বল বাউন্ডারি লাইন পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই উৎসাহে বল ভেতরে ছুঁড়ে দেন আবেশ খান। যা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই মনে করে, এটাকে ডেড বল ঘোষণা করা উচিত ছিল। তবে রিপ্লেতে দেখা যায় আশেপাশে কোনও ফিল্ডার ছিল না। তাই কোনও বাধা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। সেই কারণে ন্যায্য বল ধরা হয়। কিন্তু তাতে খুশি ছিল না হায়দরাবাদ কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন সিদ্ধান্তে অখুশি ফ্রাঞ্চাইজি। সেই কারণে বোর্ডের কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়।