আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন তিনটি ইনিংস খেলে। অথচ একসময়ে তাঁকে থাকতে হয়েছে দলের বাইরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর 'গাণ্ডীব' কথা বলেছিল। সঞ্জু ছড়িয়ে দিয়েছিলেন আলো। ভারতও বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছিল সঞ্জুর দাপটে।  

কিন্তু আইপিএল শুরু হতেই সমালোচিত হতে থাকেন সঞ্জু স্যামসন। রান পাচ্ছিলেন না। ছন্দ হারিয়েছিলেন। তার উপরে চেন্নাই সুপার কিংস লাগাতার ব্যর্থ হচ্ছিল। সেই সঞ্জু স্যামসন দিল্লির বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকালেন।তাঁর দিকে ধেয়ে আসা সমালোচনার ঝড় ব্যাট হাতেই উড়িয়ে দিলেন। শনি সন্ধ্যায় গড়লেন নতুন নজির। 

বিশ্বকাপের সাফল্য সঞ্জুকে রাতারাতি তারকায় পরিণত করেছিল। কিন্তু আইপিএলের নতুন অধ্যায়ে, চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে শুরুটা সহজ ছিল না। রান আসছিল না, ব্যাটে ছিল নীরবতা। সমালোচকদের নখ-দাঁতে ক্নাষতবিক্রষত হচ্ছিলেন।

কিন্তু শনিবার, দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচে সেই নীরবতা ভেঙে দিল এক বিস্ফোরণ। ব্যাট কথা বলল নিজের ভাষায়। এবারের আইপিএলে প্রথম শতরানের মালিক হয়ে সঞ্জু ফের মনে করিয়ে দিলেন, ফর্ম কখনও হারিয়ে যায় না, শুধু অপেক্ষা করে ফিরে আসার সঠিক মুহূর্তের জন্য।

ক্রিকেটের এই অনিশ্চিত যাত্রায় সঞ্জু স্যামসন আবারও লিখলেন নিজের নতুন অধ্যায়, যেখানে ব্যর্থতা শেষ কথা নয়, বরং প্রত্যাবর্তনই সবচেয়ে বড় গল্প। চলতি মরশুমের আইপিএলে প্রথম শতরানকারীর নাম সঞ্জু স্যামসন। 

এটি আইপিএলে সঞ্জুর চতুর্থ শতরান। এর আগে রাজস্থানের হয়ে দু'টি সেঞ্চুরি করেছিলেন। তারও আগে, ২০১৭ সালে দিল্লির হয়ে তিনি আইপিএলে নিজের প্রথম শতরানটি করেছিলেন। এবার তিনি তিনটি ভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে শতরান করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন। 

চলতি মরশুমে চেন্নাই ব্যর্থ হচ্ছিল। এদিন সঞ্জু ঝলসে ওঠায় সিএসকে ২০ ওভারে করল ২ উইকেটে ২১২ রান। সঞ্জু অপরাজিত থেকে যান ১১৫ রানে। সঞ্জুর ইনিংসে সাজানো ছিল ১৫টি চার ও ৪টি ছক্কা। আয়ূষ মাহত্রে অবসৃত হন ৫৯ রানে। সঞ্জুর শতরানের সৌজন্যে কি চেন্নাই জয়ের রাস্তায় ফিরবে? সময় এর উত্তর দেবে।