আজকাল ওয়েবডেস্ক: অভিষেক শর্মার বিস্ফোরণে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ করেছিল বিশাল
২৪৩ রান। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিল্লি ক্যাপিটালস থেমে গেল ১৯৫ রানে। ৪৭ রানে ম্যাচ জিতল সানরাইজার্স।
ম্যাচে শুরু থেকেই প্রাধান্য দেখায় সানরাইজার্স। হায়দরাবাদের বিশাল রান তাড়া করতে নেমে লোকেশ রাহুল ও পাথুম নিসাঙ্কার হতাশার জন্ম দেন। নিসাঙ্কা মাত্র ৮ বলে ৬ রান করে ফিরে যান। লোকেশ রাহুলের কাছ থেকে বড় রান আশা করেছিল দল। তিনি ২৩ বলে ৩৭ রানের বেশি করতে পারেননি। রাহুলের ব্যাটিং ব্যর্থতা দলের ইনিংসের গতি কমিয়ে দেয় বলে মনে করেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ভেনুগোপাল রাও।
তিন নম্বরে নামা নীতীশ রানার ৫৭ দিল্লি ক্যাপিটালসকে ম্যাচে ফেরাতে পারেনি। পাওয়ারপ্লেতে দিল্লি করে মাত্র ৫৯ রান।
ভেনুগোপাল রাও বলেন, ''২৪০-র বেশি লক্ষ্য তাড়া করতে হলে পাওয়ারপ্লেতে অন্তত ৮০-৯০ রান করা দরকার ছিল। আমরা প্রায় ১৫-২০ রান পিছিয়ে পড়ি। ৫৯ রান নিয়ে পাওয়ারপ্লে শেষ করা যথেষ্ট ছিল না।''
রাও আরও বলেন, নিসাঙ্কা আউট হওয়ার পর রাহুল খুব কম স্ট্রাইক পান। ফলে রান বাড়ানোর আর সুযোগ পাননি লোকেশ রাহুল।
ফিল্ডিং নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন রাও। বিশেষ করে অভিষেক শর্মাকে দু'টি জীবন দেওয়া ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। একবার রাহুল রান আউট মিস করেন, আরেকবার নিসাঙ্কা সহজ ক্যাচ ফেলেন। শেষ পর্যন্ত অভিষেক শর্মা ৬৮ বলে ১৩৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। অভিষেক ঝড় ছিটকে দেয় দিল্লিকে, একথা বললেও অত্যুক্তি করা হবে না।
দিল্লির বোলিং কম্বিনেশন নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কুলদীপ যাদব মাত্র ২ ওভার করলেও নীতিশ রানাকে ৪ ওভার বল করানো হয়। রানা ৫৫ রান দেন। রাও জানান, এটি মাঠের পরিস্থিতি অনুযায়ী অধিনায়কের সিদ্ধান্ত ছিল।
ম্যাচ জিতে সানরাইজার্স তিন নম্বরে উঠে এল। অন্যদিকে দিল্লি পাঁচে।















