আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনটি কম স্কোরের পর সঞ্জু স্যামসন দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শতরান করেন। চেন্নাই সুপার কিংস মরশুমের প্রথম জয় ছিনিয়ে নেয়।
সঞ্জুর অসাধারণ ইনিংসের পর সাক্ষাৎকারে স্যামসন ধারাভাষ্যকার ও ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ''খুব ভাল লাগছে, আপনাকে ধন্যবাদ। মনে হচ্ছে আপনি আমার জন্য লাকি মানুষ। প্রতিটা ম্যাচের আগে আপনার সঙ্গে দেখা হলে ভাল হয়, তাই দয়া করে প্রতি ম্যাচের আগে আসবেন, স্যর। সত্যি বলতে, আপনি যতই ভাল ফর্মে থাকুন না কেন, দেশের হয়ে যত ম্যাচই জিতুন না কেন, দু-একটা ব্যর্থতা মনে অনেক সন্দেহ তৈরি করে।''
এটি আইপিএলে সঞ্জুর চতুর্থ শতরান। এর আগে রাজস্থানের হয়ে দু'টি সেঞ্চুরি করেছিলেন। তারও আগে, ২০১৭ সালে দিল্লির হয়ে তিনি আইপিএলে নিজের প্রথম শতরানটি করেছিলেন। এবার তিনি তিনটি ভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে শতরান করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন।
মহেন্দ্র সিং ধোনির রেকর্ড ভেঙে দেন সঞ্জু। ২০১৯ সালে আরসিবি-র বিরুদ্ধে মাহি ৮৪ রান করেছিলেন, যা ছিল আইপিএলে চেন্নাইয়ের উইকেটকিপারের সর্বোচ্চ স্কোর।
দিল্লির বিরুদ্ধে একাধিক কৃতিত্ব অর্জন করেন সঞ্জু। আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে তিনটি দলের হয়ে শতরান করলেন সঞ্জু। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস (বর্তমানে দিল্লি ক্যাপিটালস), রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে। এর আগে লোকেশ রাহুল এই কৃতিত্ব গড়েছিলেন পাঞ্জাব কিংস, লখনউ সুপার জায়ান্টস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে।
চলতি মরশুমে চেন্নাই ব্যর্থ হচ্ছিল। এদিন সঞ্জু ঝলসে ওঠায় সিএসকে ২০ ওভারে করল ২ উইকেটে ২১২ রান। সঞ্জু অপরাজিত থেকে যান ১১৫ রানে। সঞ্জুর ইনিংসে সাজানো ছিল ১৫টি চার ও ৪টি ছক্কা। আয়ূষ মাহত্রে অবসৃত হন ৫৯ রানে। সঞ্জুর শতরানের সৌজন্যে চেন্নাই প্রথম জয় পেল।















