আজকাল ওয়েবডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন অবশেষে চলতি আইপিএলে নিজের ছন্দ ফিরে পেলেন। 
কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে  ২৫ কোটি টাকায় কিনেছিল নিলামে। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গ্রিন  ৫৫ বলে ৭৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। যেখানে অন্য নাইট ব্যাটাররা তেমন রান তুলতে পারেননি, সেখানে গ্রিন উজ্জল ছিলেন। গুজরাটের বিরুদ্ধেও তিনি বল হাতে নামতে পারেননি।

পাঁচ উইকেটের পরাজয়ের পরে নাইট  অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে জানান, ক্র্যাম্পের সমস্যায় ভুগছিলেন গ্রিন।
“গ্রিন আসলে ক্র্যাম্পে ভুগছিল। সেই কারণেই মাঠে বারবার আসছিল আর বেরিয়ে যাচ্ছিল। সেই কারণেই বল করতে পারেনি গ্রিন।'' 

ব্যাট হাতে গ্রিনের ইনিংস শুরু হয় চাপে পড়েই। দল তখন হারিয়েছে অধিনায়ক রাহানে এবং রঘুবংশীর  উইকেট। এরপর চতুর্থ ওভারে টিম সেইফার্টকে ফিরিয়ে দেন কাগিসো রাবাদা। তাতে আরও সমস্যায় পড়ে কেকেআর। পাওয়ারপ্লেতে গ্রিন শুরুতে ধীরগতির ব্যাটিং করেন। ১২ বলে করেন মাত্র ৬ রান। 

তার পরে ধীরে ধীরে নিজেকে মেলে ধরেন তিনি। ইনিংসের ১৩-তম ওভারে অশোক শর্মার বলে পরপর দু'টি ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ৩৪ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। 

এরপর রশিদ খানকে আক্রমণ শানান। ওয়াশিংটন সুন্দর ক্যাচ ফেলেন গ্রিনের। 
শেষের দিকে অবশ্য কেকেআর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকায় গ্রিন তেমন স্ট্রাইক পাননি, ফলে বড় শটও খেলতে পারেননি। শেষ ওভারে জস বাটলার স্টাম্পিংয়ের সুযোগ হাতছাড়া করলেও পরের বলে রশিদ খানের হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গ্রিন।  ৫৫ বলে ৭৭ রানের এই ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা।  গ্রিনের মারমুখী ইনিংসে কেকেআর ১৮০ রানে পৌঁছয়। তবুও ম্যাচ জিততে পারেনি নাইটরা। 

গ্রিনের লড়াকু ইনিংসের প্রশংসা করে রাহানে বলেন,''ও চাপে ছিল, কিন্তু যেভাবে পাল্টা আক্রমণ করেছে এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তা সত্যিই দারুণ।''

তবে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স হতাশাজনক। ছ' ম্যাচে এটি কেকেআরের পঞ্চম হার। এখনও পয়েন্ট টেবিলের একেবারে তলানিতে। মাত্র ১ পয়েন্ট তাদের ঝুলিতে। তাও আবার পাঞ্চাবের বিরুদ্ধে ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় এসেছে ১ পয়েন্ট। প্লে-অফের আশা টিকিয়ে রাখতে হলে বাকি সবক'টি ম্যাচই জিততে হবে নাইটদের। 

১৯ এপ্রিল রাজস্থানের বিরুদ্ধে খেলবে কলকাতা।