আজকাল ওয়েবডেস্ক: বার্মিংহ্যামে ব্যাডমিন্টন ফাইনাল। আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। বিশ্বের দুই প্রান্তে উত্তেজক ফাইনাল। সব মিলিয়ে সুপার সানডে। 

বার্মিংহ্যামে অল্পের জন্য হেরে গেলেন ভারতের তারকা লক্ষ্য সেন। এর আগেও তিনি ফাইনালে উঠে জিততে পারেননি। এবারও সেই ঠোঁট আর পেয়ালার মধ্যে ব্যবধান থেকে গেল। হৃদয় ভাঙল দেশের। হৃদয় ভাঙল লক্ষ্য় সেনের। পুলেলা গোপীচাঁদও হওয়া হল না লক্ষ্যর। ফাইনালে চাইনিজ তাইপের সি ওয়াই লিন ২১-১৫, ২২-২০-তে হেরে গেলেন লক্ষ্য সেন।  

সেমিফাইনালের লড়াইয়ে পায়ের যন্ত্রণা, পেশির টান—সবকিছুকে সঙ্গী করেই তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বপ্নের দরজায়। যেন ব্যথাকে বুকে নিয়ে এগোনো এক সাহসী যুবক। 

কিন্তু ফাইনাল কখনও কখনও নির্মম হয়। রবিবারের আলো ঝলমলে বিকেলে, ঐতিহ্যের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শেষ ধাপে থমকে গেল তাঁর পথচলা। জয় আর স্বপ্নের মাঝখানে দাঁড়িয়ে রইল ক্লান্ত শরীর আর কঠিন প্রতিপক্ষ। প্রশ্ন উঠতে পারে, সেমিফাইনাল খেলেই কি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন লক্ষ্য? হাঁটুতে ব্যান্ডেজ জড়িয়ে খেলছিলেন। ব্রেকের সময়ে তাঁকে টাওয়েল দিয়ে ঘাম মুছিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। প্রথম গেমে পিছিয়ে পড়ার পরে দ্বিতীয় গেমে লক্ষ্য সেন মরিয়া লড়াই শুরু করেছিলেন। কিন্তু চাইনিজ তাইপের তারকা দক্ষতার সঙ্গে লক্ষ্যর লিড কমিয়ে ম্যাচে ফিরে আসেন। তার পরে ম্যাচ জিতে নেন। লক্ষ্য যখন ম্যাচ হারলেন, তখন ভারত ব্যাট করতে নেমেছে বিশ্বকাপ ফাইনালে। 

আহমেদাবাদের গ্যালারিতে গর্জে উঠছে দর্শক, ফাইনালের উত্তেজনায় মুখোমুখি ভারত ও নিউজিল্যান্ড। 

ক্রিকেটে কী হবে, তার উত্তর দেবে সময়। তবে ব্যাডমিন্টনের কোর্টে নেমে এল নীরবতা। একদিকে উল্লাসের চিৎকার, অন্যদিকে অল্প আক্ষেপের দীর্ঘশ্বাস। লক্ষ্য সেন হেরে গেলেও তাঁর এই লড়াই কিন্তু কোনওদিন ভুলবে না দেশ।