আজকাল ওয়েবডেস্ক: আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের ১৫ জনের দল থেকে বাদ পড়ার পর মর্মাহত হয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি হজম করতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। জীতেশ শর্মা জানান, বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর খবর পান তিনি। গত এক বছরে ভারতের টি-২০ দলের নিয়মিত অঙ্গ ছিলেন। ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেরও অঙ্গ ছিলেন। ভেবে নিয়েছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাবেন। তাঁকে যে বাদ দেওয়া হবে সেটা আগাম জানানো হয়নি। কোনও নির্বাচকের সঙ্গেও কথা হয়নি। 

জীতেশ বলেন, 'দল ঘোষণার আগে পর্যন্ত আমি বাদ পড়ার কথা জানতাম না। তারপর সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচকরা যে কারণ দেখায়, সেটা আমি মেনে নিই। যুক্তিসঙ্গত। তারপর কোচ এবং নির্বাচকদের সঙ্গে আমার কথা হয়। ওরা যে কারণ দেখায়, সেটা মেনে নিই। ওরা আমাকে কী বোঝাতে চায় সেটা বুঝতে পারি, এবং মেনে নিই।' ভারতের হয়ে ১৬টি টি-২০ খেলেছেন ৩২ বছরের উইকেটকিপার ব্যাটার। ১৬২ রান করেছেন। গড় ১৮। স্ট্রাইক রেট ১৫১.৪০। তবে সেটা গৌতম গম্ভীর এবং অজিত আগরকরকে প্রভাবিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল না। 

নির্বাচকদের দেখানো কারণ মেনে নিলেও, মানসিকভাবে সেটা গ্রহণ করতে সময় লেগেছে। কোনও রাখঢাক না করেই জানান, এটা তাঁর কাছে হৃদয় বিদারক ছিল। জীতেশ বলেন, 'হৃদয়বিদারক ছিল। আমি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলার জন্য প্রচুর পরিশ্রম করেছিলাম। তবে সেটা ভাগ্য। আমার অস্বীকার করার জায়গা নেই। সেই মুহূর্তে আমি স্তব্ধ হয়ে পড়ি। মাথায় কিছু আসছিল না। এই জায়গা থেকে বেরোতে তাঁকে সাহায্য করেন দীনেশ কার্তিক এবং তাঁর পরিবার। জীতেশ বলেন, 'নিজের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি দীনেশ কার্তিকের সঙ্গে কথা বলার পর দুঃখ কাটান। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে ভারতীয় দলে ফেরেন জীতেশ। তারপর টানা সাত ম্যাচে সুযোগ পান। সেই কারণেই বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু তাঁকে উপেক্ষা করে ঈশান কিষাণ এবং রিঙ্কু সিংকে নেওয়া হয়। বাদ পড়েন শুভমন গিলও।