আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজে ভারতীয় দলে নীতীশ কুমার রেড্ডি ডাক পাওয়ার পরে তিরাশির বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত সমালোচনা করেছিলেন নির্বাচকদের সিদ্ধান্তের।
সেই নীতীশ রেড্ডি দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে খেলেন। ২ ওভার তিনি বল করেন। ২১ বলে ২০ রান করেন। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে তিনি পঞ্চাশ রান জোড়েন। রাহুল সেঞ্চুরি করায় শেষমেশ ভারত ২৮৪ রান করে।
নীতীশ রেড্ডি ব্যর্থ হওয়ায় তিনি প্রবল সমালোচিত হন। ধেয়ে আসা সমালোচনার মুখে নীতীশ রেড্ডির পাশে এসে দাঁড়ান দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার হনুমা বিহারী।
বল হাতেও নীতীশ কুমার রেড্ডিকে বর্ণহীন দেখায়। দু' ওভার তাঁকে দিয়ে করানোর পরে আর বল করতে ডাকেননি শুভমন গিল।
চতুর্দিক থেকে ধেয়ে আসা সমালোচনার মুখে নীতীশের পাশে এসে দাঁড়ান হনুমা বিহারী। তিনি বলেছেন, ''কেউ আমাকে একথা বলতে পারেন, নীতীশের মতো অবস্থায় কেউ ব্যাটের পাশাপাশি সিম বোলিং করতে পারে এই দেশে? নীতীশের বয়স এখন ২২। ২২ বছরের এক ক্রিকেটারকে বিটস অ্যান্ড পিসেস বলা যায়? তিনটি ফরম্যাটে বল হাতে খুব একটা খারাপ কিছু করেনি। মেলবোর্নে ১০০ রান করেছিল। আমার-আপনার মতো অনেকেই স্বপ্ন দেখতে পারেন।''
এদিকে ভারতের হারের পিছনে গৌতম গম্ভীরের সহকারী রায়ান টেন দুশখ্যাতে মনে করেন, ভারতের দল বাছাই ঠিক হয়নি।
চোটের জন্য সিরিজ থেকে ছিটকে গিয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। তাঁর পরিবর্তে দলে এসেছেন আয়ূষ বাদোনি। যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়। দুশখ্যাতে মনে করেন, নীতীশ রেড্ডির পরিবর্তে আয়ূষ বাদোনিকে নিলে ভাল হত।
খেলার শেষে প্রেস কনফারেন্সে দুশখ্যাতে বলেন, ''ওয়াশিংটন সরে যাওয়ায় আয়ূষ বাদোনিকে শেষ মুহূর্তে দলে নেওয়া হয়েছে। আমাদের মনে হয়েছে এই উইকেটে নীতীশ রেড্ডিকে খেলালে ভাল হত। নিউ জিল্যান্ডের স্পিনাররা যেভাবে বল করেছে, তা দেখার পরে মনে হচ্ছে আমরা আরেক জন স্পিনারকে নিলে ভাল হত।''
নীতীশ রেড্ডির উপরেও ভরসা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের। এ কথা বোঝাই যাচ্ছে।
