আজকাল ওয়েবডেস্ক: কাউন্টডাউন শুরু। আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই মার্কিন মুলুকে শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ। আমেরিকা ছাড়াও এবার বিশ্বকাপ হচ্ছে কানাডা এবং মেক্সিকোতে। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের সবচেয়ে বড় সংস্করণ। ৩২ নয়, এবার দলের সংখ্যা ৪৮। মেসি, রোনাল্ডো, নেইমারের শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু এখনও পারদ চড়েনি। তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। ৩২ বছর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছে বিশ্বকাপ। ১৯৯৪ সালে প্রথমবার মার্কিন মুলুকে অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপ। সাধারণত বেসবলের দেশ। কিন্তু প্রথমবার যথেষ্ট সফলভাবে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। কিন্তু এবার এখনও তেমন উৎসাহ নেই। গত তিন দশকে অনেক কিছুই বদলে গিয়েছে। দলের সংখ্যা থেকে ম্যাচ, টিকিটের দাম, সবই বদলে গিয়েছে।

১৯৯৪ বিশ্বকাপে ২৪টি দল ছিল। এবার সেটা দ্বিগুণ। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন টিকিটের মূল্যে। ১৯৯৪ সালে প্রথম রাউন্ডের টিকিটের দাম ছিল ২৫ থেকে ৭৫ মার্কিন ডলার। ফাইনালের টিকিটের দাম ১৮০ থেকে ৪৭৫ মার্কিন ডলার। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রাথমিক পর্বের টিকিটের দাম ছিল ১৪০ থেকে ২৭৩৫ মার্কিন ডলার। ফাইনালের টিকিটের দাম ৪১৮৫ থেকে ৮৬৮০ মার্কিন ডলার। এরপর ফাইনালের দাম আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফাইনালের টিকিটের দাম ১০৯৯০ মার্কিন ডলার। এই প্রথম বিশ্বকাপে ডায়নামিক টিকিট প্রাইসিং চালু করা হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী বাড়ানো হয় টিকিটের মূল্য। দলের সংখ্যা বাড়ায়, ফাইনালে ওঠা দলকে আটটি ম্যাচ খেলতে হবে। 

স্টেডিয়ামের মাপেও পরিবর্তন এসেছে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আয়তনে সামান্য ছোট মাঠ ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিল ফিফা। এবার অবশ্য ফিফার মাঠের দৈর্ঘ্য মেনেই চলা হয়েছে। দর্শক সংখ্যাও এবার বাড়বে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ৫২ ম্যাচে ৩.৫৯ মিলিয়ন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপ দেখেছিল। ম্যাচ প্রতি ৬৮,৯৯১ ভিউয়ারশিপ। এবারের বিশ্বকাপে ম্যাচের সংখ্যা দ্বিগুণ। সুতরাং ছয় থেকে সাত মিলিয়ন দর্শক সংখ্যা আশা করা হচ্ছে। সেবার ৯টি স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল। এবার ১৬টিতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১১, মেক্সিকোতে তিনটে এবং কানাডায় দুটো। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সব ম্যাচই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এছাড়াও বিরতির নিয়ম,পরিবর্ত ফুটবলারের নিয়মেও বদল এসেছে।