আজকাল ওয়েবডেস্ক: আজ থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে বেঙ্গল টি-২০ লিগ। ১৭ দিনের লিগে ছেলেদের পাশাপাশি অংশ নেবে মেয়েরাও। এবার টুর্নামেন্টের তৃতীয় সংস্করণ। দুই বিভাগে মোট আটটি দল। ছেলেদের ম্যাচ শুরু শুক্রবার, মেয়েদের শনিবার। ২১ জুন দুটো ফাইনালই ইডেনে। তৃতীয় বছরে পা রাখল বেঙ্গল টি-২০ লিগ। প্রথম দু'বছর তেমন সাফল্য পায়নি। অন্তত দর্শক সংখ্যার ক্ষেত্রে। ফাঁকা ইডেনে খেলতে হয়েছে শাহবাজ আহমেদ, মুকেশ কুমার, সুদীপ কুমার ঘরামীদের। যদিও ম্যাচগুলো সম্প্রচার করা হয় ডিজিটাল মাধ্যমে। তবে অন্যান্য রাজ্যের লিগ যেমন জনপ্রিয়, এখনও সেই জায়গায় পৌঁছতে পারেনি বাংলার এই লিগ। তবে সবে মাত্র প্রারম্ভিক পর্যায়। এখনও অনেকটা পথ চলা বাকি।
বেশ কিছু বছর ধরে আইপিএল খেলছেন শাহবাজ আহমেদ, মুকেশ কুমাররা। একসময় রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর প্রথম একাদশের নিয়মিত সদস্য ছিলেন শাহবাজ। দুই লিগ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলার দুই বোলারের। আইপিএলের সঙ্গে কোনওভাবেই তুলনা টানা যায় না রাজ্য টি-২০ লিগের। কিন্তু তাঁদের চোখে বেঙ্গল টি-২০ লিগের ভবিষ্যৎ কী? আদৌ এই লিগ থেকে কোটিপতি লিগের মঞ্চে পা রাখতে পারবে বাংলার প্লেয়াররা? মুকেশ মনে করেন, বেঙ্গল টি-২০ লিগ বাংলার প্লেয়ারদের জন্য ভবিষ্যতের দরজা খুলে দিতে পারে। সুযোগ হতে পারে দেশের জার্সি গায়ে চাপানোরও। মুকেশ বলেন, 'বেঙ্গল টি-২০ লিগ আইপিএলের জন্য প্লেয়ারদের কিছুটা তৈরি করে দিতে পারে। টুর্নামেন্ট সবে শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে আরও এগোবে। তবে এটা বাংলার ক্রিকেটারের জন্য ভাল মঞ্চ। আইপিএলে ২-৩ বছর ভাল খেলতে পারলে, জাতীয় দলের দরজা খুলে যেতে পারে।'
মুকেশের সতীর্থ শাহবাজ অবশ্য এখনই এত দূরদর্শী নয়। ধাপে ধাপে এগোনোর কথা জানান। তিনি মনে করেন, এই লিগ থেকে বাংলা দলও ক্রিকেটার পেতে পারে। শাহবাজ বলেন, 'বেঙ্গল টি-২০ লিগের সরাসরি সম্প্রচার হয়। সবাই খেলা দেখতে পারে। প্লেয়াররা নিজেদের মেলে ধরার সমান সুযোগ পায়। এখান থেকে বাংলা দল ৩-৪ জন ক্রিকেটার পেতে পারে। ভবিষ্যতে তাঁরা আইপিএলে খেলারও সুযোগ পেতে পারে। নির্বাচকরা সব ম্যাচ দেখে। খেলার মান ভাল হলে, প্লেয়ারদের সম্ভাবনা বাড়ে।' এবার কুকাবুরার পরিবর্তে এসজি বলে খেলা হবে। তাতে কোনও পরিবর্তন হবে বলে মনে করছেন না শাহবাজ। অন্যদিকে এসজি বলে খেলার বিষয়ে আশাবাদী বাংলার পেসার। মুকেশ বলেন, 'একটা মরশুম আমরা এসজি বলে খেলেছিলাম। ভালই সাড়া মিলেছিল। সবার জন্যই ভাল। বলটা খুব বেশি সুইং করে না মাঝেমধ্যে। এতে ব্যাটাররা সুবিধা পাবে। এই বল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমি কমিটিকে ধন্যবাদ জানাব।' বাংলার হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেন। এবার বাইশ গজে একে অপরকে টেক্কা দিতে তৈরি মুকেশ, শাহবাজরা।















