আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্যান্টোসের সঙ্গে চুক্তি নবীকরণ হয়েছে নেইমারের।নতুন চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্যান্টোসেই থাকবেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার। 

এহেন নেইমার একসময়ে বুট  জোড়া তুলে রাখার কথা ভেবেছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন নেইমারের বাবা। কিন্তু প্রাণাধিক প্রিয় ফুটবল থেকে অবসর কেন নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিলীয় তারকা? ;
চোট এবং দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার চাপ থেকেই এমন মরিয়া সিদ্ধান্তের কথা ভেবেছিলেন নেইমার। 
স্যান্টোসের সঙ্গে নেইমারের চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল। 
ক্লাব সভাপতি মার্সেলো তেইসেইরার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত স্যান্টোসেই থাকবেন নেইমার। 

নেইমারকে ধরে রাখার একটা চেষ্টা স্যান্টোস করেছিল ব্রাজিলীয় লিগ শেষ হওয়ার পর থেকেই। নেইমারকে যে ধরে রাখা যাবে এব্যাপারে আশাবাদী ছিল স্যান্টোস। 

ক্লাবের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, দুই পক্ষের আলাপ আলোচনা চলতে পারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। সেটাই হয়েছে। 

সেই নেইমার এখন মেনিস্কাসের চোটে ভুগছেন। ২২ ডিসেম্বর তাঁর বাঁ হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। 
ব্রাজিলিয়ান লিগে একসময়ে অবনমনের লাল চোখ দেখতে শুরু করেছিল স্যান্টোস। কিন্তু নেইমারের জন্য স্যান্টোস অবনমন এড়ায়। 

তিনটি ম্যাচেই স্যান্টোস জেতে ৩–০ গোলে। প্রথম ম্যাচে নেইমার এক গোল করেন। আরেকটি ম্যাচে হ্যাটট্রিকও করেন। শেষ ম্যাচে নেইমার গোল না পেলেও পুরো নব্বই মিনিট দারুণ ছন্দে ছিলেন ব্রাজিলীয় তারকা। 

নেইমারের বাবা ছেলের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেন ইউটিউবে। নেইমারের বাবা বলেছেন, চোটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন নেইমার।

অস্ত্রোপচারের আগে ছেলের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন নেইমারের বাবা। সেই সময়ে বাবাকে মানসিক দিক থেকে ভেঙে পড়া নেইমার বলেছিলেন, আগের মতো তাঁর আর মানসিক কাঠিন্য নেই। তাছাড়া অস্ত্রোপচার করলেও যে তিনি পুরোদস্তুর ভাল হয়ে উঠবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। 

নেইমার কি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন? তিনি কি মানসিক জোর হারিয়ে ফেলেছেন? নেইমারের বাবা তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। 

তবে নেইমারের বাবা ছেলেকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন যেন অটুট থাকে। আর মাঠে ফিরে সমালোচকদের জবাব দেওয়ার। 

দফায় দফায় চোটের কবলে পড়েন নেইমার। চোটের লাল চোখ দেখে সৌদি প্রো লিগে পুরো সময় খেলতে পারেননি ব্রাজিলীয় তারকা। আল হিলাল ছেড়ে ছেলেবেলার ক্লাব স্যান্টোস ক্লাবে যোগ দেন। সেখানেও খেলতে গিয়ে চোটের লাল চোখ দেখেন। অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। তিনি মাঠে ফিরে আসার লড়াই চালাচ্ছেন। নেইমারের বাবা বলেছেন, তাঁর পরামর্শে আশ্বস্ত হয়েছেন ছেলে। 

মনে করা হচ্ছে ২০২৬ মরশুম শুরুর আগেই পুরোদস্তুর সুস্থ হয়ে উঠবেন নেইমার। কিন্তু বিশ্বকাপে কি ব্রাজিলের জার্সি পরে খেলতে দেখা যাবে নেইমারকে? সময় এর উত্তর দেবে।