আজকাল ওয়েবডেস্ক: ১০ গ্রাম ওজন বেশি হওয়ায় সোনার লড়াইয়ে নামতে পারেননি কুস্তিগির ভিনেশ ফোগাট। তাঁকে বাতিল করা হয়েছে। যদিও রুপো পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফোগাত। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার আরও একটি পদক জিতেছে ভারত। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইলে ব্রোঞ্জ জিতেছেন অমন সেহরাওয়াত। পোর্তো রিকোর ডারিয়ান দোই ক্রুজকে হারান ভারতীয় কুস্তিগির। মাত্র ২১ বছর বয়সে অলিম্পিক পদক। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকে পদক জিতলেন তিনি।
পদক জিতলেও জানা গেছে, যে কারণে ভিনেশ ফোগাতের পদক হাতছাড়া হয়েছে সেই পরিস্থিতি হয়েছিল অমনেরও। প্রথম দিনের তিনটি ম্যাচের পর তাঁর ওজন বেড়ে গিয়েছিল ৪.৬ কেজি। মাত্র ১০ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সেই ওজন কমিয়ে নির্ধারিত মাত্রায় আনেন তিনি। ব্রোঞ্জ ম্যাচের আগের রাতে তিনি ঘুমাতে পারেননি। প্রথম দিনের প্রতিযোগিতার শেষে অমনের ওজন দাঁড়ায় ৬১.৫ কেজি। হাতে সময় ছিল ঘণ্টা দশেক। এই ১০ ঘণ্টায় তাঁকে ওজন কমাতে হত সাড়ে চার কেজির বেশি। সূত্রের খবর, তৃতীয় বাউট শেষে অমনকে প্রায় ঘণ্টাখানেকের হট বাথ দেওয়া হয়। তারপর প্রায় ১ ঘণ্টা টানা ট্রেডমিলে সময় কাটান। এর পর আধ ঘণ্টার বিরতি। এর পর মিনিট পাঁচেকের জন্য ‘সউনা বাথ’ দেওয়া হয়। ওই বিশেষ পদ্ধতিতে দেহের ওজন কমানো হয়। কিন্তু তারপরও তাঁর ওজন বেশি ছিল প্রায় ৯০০ গ্রাম। আবার শুরু হয় জগিং এবং কসরত। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ অমনের ওজন নেমে আসে ৫৬.৯ কেজিতে। পদক জেতার পর তাই অমন বলেছেন, ‘পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়ে অলিম্পিকে এসেছিলাম। সোনা জেতার ইচ্ছা ছিল। হল না। পরেরবার চেষ্টা করব।’ অমন বলেছেন, ‘ওজন কমানোর জন্য প্রচুর কসরত করতে হয়েছে। বাউট শেষ হওয়ার পর ২ ঘণ্টা অনুশীলন করি। রাত একটার সময় জিমও করেছি। রাত তিনটের সময় সব শেষ হয়। রাতে ঘুমাতেই পারিনি। ওজন কমানোই ছিল মূল লক্ষ্য।’
পদক জিতলেও জানা গেছে, যে কারণে ভিনেশ ফোগাতের পদক হাতছাড়া হয়েছে সেই পরিস্থিতি হয়েছিল অমনেরও। প্রথম দিনের তিনটি ম্যাচের পর তাঁর ওজন বেড়ে গিয়েছিল ৪.৬ কেজি। মাত্র ১০ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে সেই ওজন কমিয়ে নির্ধারিত মাত্রায় আনেন তিনি। ব্রোঞ্জ ম্যাচের আগের রাতে তিনি ঘুমাতে পারেননি। প্রথম দিনের প্রতিযোগিতার শেষে অমনের ওজন দাঁড়ায় ৬১.৫ কেজি। হাতে সময় ছিল ঘণ্টা দশেক। এই ১০ ঘণ্টায় তাঁকে ওজন কমাতে হত সাড়ে চার কেজির বেশি। সূত্রের খবর, তৃতীয় বাউট শেষে অমনকে প্রায় ঘণ্টাখানেকের হট বাথ দেওয়া হয়। তারপর প্রায় ১ ঘণ্টা টানা ট্রেডমিলে সময় কাটান। এর পর আধ ঘণ্টার বিরতি। এর পর মিনিট পাঁচেকের জন্য ‘সউনা বাথ’ দেওয়া হয়। ওই বিশেষ পদ্ধতিতে দেহের ওজন কমানো হয়। কিন্তু তারপরও তাঁর ওজন বেশি ছিল প্রায় ৯০০ গ্রাম। আবার শুরু হয় জগিং এবং কসরত। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ অমনের ওজন নেমে আসে ৫৬.৯ কেজিতে। পদক জেতার পর তাই অমন বলেছেন, ‘পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়ে অলিম্পিকে এসেছিলাম। সোনা জেতার ইচ্ছা ছিল। হল না। পরেরবার চেষ্টা করব।’ অমন বলেছেন, ‘ওজন কমানোর জন্য প্রচুর কসরত করতে হয়েছে। বাউট শেষ হওয়ার পর ২ ঘণ্টা অনুশীলন করি। রাত একটার সময় জিমও করেছি। রাত তিনটের সময় সব শেষ হয়। রাতে ঘুমাতেই পারিনি। ওজন কমানোই ছিল মূল লক্ষ্য।’
