আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফগান ক্রিকেটার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৮ বছরের আফগান ক্রিকেটার শাপুর জাদরান। জানা যায়, বছর দশেক আগে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে আততায়ীর গুলির হাত থেকে কোনও মতে বেঁচেছিলেন। এবার মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই অসুস্থতার কারণে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন শাপুর।


২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় শাপুর জাদরানের। রিফিউজি হয়ে দীর্ঘদিন পাকিস্তানে কাটিয়েছেন তিনি। সেই সময় মহম্মদ নবি, দওলাত জাদরানদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। ২০০৯ সালে আফগানিস্তান যখন প্রথম ওয়ানডে খেলে, সেই দলে ছিলেন শাপুর। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ হারলেও ৪ উইকেট তুলেছিলেন তিনি। গত বছর জানুয়ারিতেই অবসর নেন।


সেই শাপুরই বছর ঘুরতে না ঘুরতে মৃত্যর সঙ্গে লড়াই করছেন। সম্প্রতি তাঁর এক ঘামাই জাদরান জানিয়েছেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শাপুরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও কী হয়েছে তা জানা যায়নি। হাসপাতালের পক্ষ থেকেও কোনও মেডিক্যাল রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। তবে জানা গিয়েছে, তাঁর রক্তের শ্বেতকণিকার পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে কমে গিয়েছে। সেই কারণেই স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। শাপুরের সুস্থতা কামনায় প্রার্থনা করছেন দেশ ও বিদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের হয়ে ৪৪টি ওয়ানডেতে ৪৩টি উইকেট এবং ৩৬টি টি–২০ তে ৩৭টি উইকেট পেয়েছেন শাপুর। সে দেশের ক্রিকেটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে কাবুলে জঙ্গি হানার কবলে পড়েছিলেন। অজ্ঞাত আততায়ী তাঁকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালিয়েছিল। সে যাত্রায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। এবারও মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসবেন শাপুর?‌ 

এদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (‌বিসিসিআইয়ের)‌ নির্দেশের পর মুস্তাফিজুর রহমানকে রিলিজ করে দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ। তার প্রেক্ষিতে আইনি পথে যেতে পারেন মুস্তাফিজুর। ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সংগঠন ‘কোয়াব’–এর সভাপতি মহম্মদ মিঠুন।


তিনি বলেছেন, ‘‌তিন বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে আইনি বা প্রশাসনিক লড়াইয়ের কথা ভাবা হয়েছিল। তবে মুস্তাফিজুর রাজি হয়নি। ওর কথা মতো আমরা সেই ভাবনা বাতিল করেছি।’ বিষয়টি নিয়ে তাঁরা ক্রিকেটারদের বিশ্ব সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন মিঠুন। তাঁর বক্তব্য, ডব্লিউসিএ আইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ছিল না। কারণ কোনও ক্রিকেটীয় কারণ বা চোটের জন্য কেকেআর কর্তৃপক্ষ মুস্তাফিজুরের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেননি। মিঠুন বলেছেন, ‘ডব্লিউসিএ চুক্তি বাতিলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বা আইনি পদক্ষেপকে সমর্থন করতে রাজি ছিল। কিন্তু মুস্তাফিজুর নিজে এই সব চায়নি। অভিজ্ঞ বোলারের ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়েই আমরা ভাবনা বাতিল করেছি।’