আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ৫৯ বছরেও ফুটবল। রেকর্ড গড়লেন জাপানের কাজুয়োশি মিউরা। মনের জোরেও এখনও পেশাদার ফুটবল খেলে চলেছেন তিনি। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ৫৯ বছরে পড়বেন তিনি। এই বয়সেও তিনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ফুকুশিমা ইউনাইটেডের সঙ্গে। 


জাপানের ফুটবল ভক্তদের কাছে তিনি পরিচিত ‘‌কিং কাজু’‌ নামে। এবার তাঁকে দেখা যাবে জাপানের তৃতীয় ডিভিশনের ক্লাবে। এটা তাঁর ৪১ তম পেশাদার ফুটবল মরশুম হতে চলেছে। ষাট ছুঁইছুঁই বয়সে ফুকুশিমায় যোগ দিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে কাজু বলছেন, ‘‌এখানে যোগ দিতে পেরে খুব খুশি হয়েছি। নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় রয়েছি। সকলে মিলে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় রয়েছি। যত বয়সই হোক না কেন, ফুটবলের প্রতি এই আবেগ কোনওদিনও কমবে না।’‌ 


প্রসঙ্গত, জাপানি ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি হিসাবে দেখা হয় তাঁকে। দেশের হয়ে ৮৯ ম্যাচে ৫৫টি গোলও করেছেন তিনি। এমনকী দেশের হয়ে ফুটসলও খেলেছেন ২০১২ সালে। সেই ১৯৮০ সাল থেকে পেশাদার ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত তিনি। শুরুতে ছিলেন ব্রাজিলের ক্লাব স্যান্টোসে। খেলেছেন অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, ক্রোয়েশিয়ায়। ২০০৫ সালে তিনি জাপানে ফিরে যোগ দিয়েছিলেন ইয়োকোহামায়। তখন থেকে জাপানের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন কাজু।


এটাও ঘটনা, ১৯৯২ সালে এশিয়ার বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালে জে লিগের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারের শিরোপাও পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে জে লিগের সর্বোচ্চ স্কোরার হয়েছিলেন কাজু। আবার ২০১৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পেশাদার ম্যাচে গোলদাতা হওয়ার নজিরও তাঁর ছিল। বিশ্বের প্রবীণতম পেশাদার ফুটবলারও তিনিই। 

এদিকে, বিতর্ক আর বাংলাদেশ ক্রিকেট যেন হাত ধরাধরি করে চলছে। রোজই কোনও না কোনও বিতর্ক দেখা দিচ্ছে। এবার বিতর্ক দেখা দিয়েছে নোয়াখালি এক্সপ্রেস দলের সহকারী কোচ নিয়াজ খানকে নিয়ে। অভিযোগ, তিনি নাকি একাধিক ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন করেছেন এবং ভুল তথ্য দিয়েছেন। 


নিয়াজের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদপত্র প্রশ্ন তুলেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নিয়াজ নাকি জানিয়েছেন, তিনি এশিয়া কাপে আফগানিস্তান দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। আফগানিস্তানে গিয়ে সেখানকার স্থানীয় প্রতিভা তুলে আনার কাজ করেছেন। যদিও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা সেই দাবি খারিজ করেছেন। এর পরেই নিয়াজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন ইন্টিগ্রিটি ইউনিট।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘‌এই ঘটনার ব্যাপারে বিসিবি–র ইন্টিগ্রিটি ইউনিট জানে। তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তবে এটা গোপন বিষয় বলে বেশি মন্তব্য করা সম্ভব নয়।’‌