আজকাল ওয়েব ডেস্কঃ সকালে ঘুম চোখ খুলেই সারাদিনের রুটিনকে মনে মনে একবার আওড়ে নিয়েই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লেন।এরপর চলে সমস্ত ঘরোয়া কাজের লিস্ট সেরে নেওয়ার পালা। আধুনিক যুগের ব্যস্ততায় হাতের কাছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সময় বাঁচাতে পারলেও শরীর সুস্থভাবে কতদিন সাথ দেবে সেটা ভেবে দেখার বিষয়।
মেয়েদের বয়স ৩০ এর কোঠা পেরোলেই শরীরে নানা ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা যায়।কোমর নীচু করে ঘর পরিষ্কার হোক বা দাঁড়িয়ে রান্না, সব কাজেই শরীরের ব্যথা বেদনা জানান দেয়।কারও বসে থাকলে কোনও সমস্যা নেই, কিন্তু হাঁটলেই ব্যথা বাড়ছে।কারও আবার দাঁড়িয়ে কাজ করলে কোমর থেকে ব্যথা ছড়াচ্ছে পায়ের দিকে।
কোমরের যন্ত্রনা, হাঁটু ফুলে যাওয়া ও ব্যথা হলে নিজেকে অসহায় মনে হতে থাকে।মুঠো মুঠো পেইনকিলার খেয়েও আরাম মেলে কোথায়?তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও অনেক। বেশি যন্ত্রনায় রোজের রুটিনে কাজের ব্যাঘাত ঘটলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিতেই হবে।তবে তার আগে কিছু ঘরোয়া উপায়ে যদি ব্যথা থেকে আরাম মেলে,ক্ষতি কি?কিছু সাধারণ উপকরণ থেকে যে অসাধারণ ও স্বাস্থ্যকর একটি মিশ্রণ তৈরি করা যায় জানলে অবাক হবেন।
প্যানে ৫০ গ্ৰাম পরিমাণে আমন্ড, কাজুবাদাম ও মাখানা দিয়ে হালকা আঁচে ভাজুন। সামান্য কিছু কুমড়োর বীজ ও সাদা তিল দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকুন।একটা ভাজার গন্ধ বেরোলে আলাদা পাত্রে ভেজে রাখা ৫০ গ্ৰাম ছোলাও দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে দিন।
ঠান্ডা হলে গ্ৰাইন্ড করে নিন।একটি জারে তুলে রাখুন পাউডারটি।
রোজ দু'বেলা গরম দুধের সঙ্গে দুই চামচ মিশিয়ে নিয়ে খান।
এইসব উপকরণে রয়েছে অসাধারণ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান যা মহিলাদের হাঁটুর ব্যথা, ঘাড় ও কোমরের যন্ত্রনা থেকে অনেকটা রেহাই পেতে সাহায্য করে।
তাছাড়া অক্সিজেন যুক্ত রক্ত চলাচলের অভাবে পেশি ক্লান্ত হয়ে পড়লে ব্যথা বাড়ে তাই যত বেশি চলাফেরা করবেন, ব্যায়াম করবেন, ততই রক্ত চলাচল বাড়বে, ব্যথার কষ্ট কমবে।প্রত্যেকদিন কিছুক্ষণ শরীরচর্চা ও নিয়ম করে হাঁটাহাঁটি করলে রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে গিয়ে ব্যথার কষ্ট থেকে রেহাই পাওয়া যায়
















