আজকাল ওয়েব ডেস্কঃ ছোট বাচ্চাকে খাওয়াতে গেলে কালঘাম ছুটে যায়।কোন কিছুই মুখে ভালবেসে তোলে না।বয়স্করাও রান্নায় একটু অন্যরকম কিন্তু স্বাস্থ্যকর কিছু চান।সময়ের অভাবে এখন প্রায় প্রত্যেকেই খুব চটজলদি কিন্তু স্বাস্থ্যকর কিছু রেসিপির সন্ধানে থাকেন।
সাধারণত, চাল, ডাল, সবজি দিয়ে তৈরি হয় এই খাবার।তবে বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন উপাদান যুক্ত হয় এই খিচুড়িতে।এই বিশেষ পদটিতে যেহেতু নানা রকমের উপাদান মিশে থাকে, তাই এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর।খিচুড়ি খেলেই শরীরে শক্তি পাওয়া যায়।অসুস্থদের জন্যও খিচুড়ি পথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।শুধু বাঙালিরা নয়, ভারতীয় রান্নার এক অন্যতম অঙ্গ হল খিচুড়ি।পুজোর ভোগ থেকে শুরু করে বর্ষার আমেজ বা অসুস্থ শরীরে এই খাবারটিকেই অমৃত মনে হয়।স্বাস্থ্যকর হবে আবার কম সময়ে তৈরি করা যায় এমন খিচুড়ির রেসিপির সন্ধান আজ দেওয়া হল।
এক কাপ চালের সঙ্গে তিন ধরণের ডাল এক কাপ করে দিতে হবে।আপনি পছন্দমতো যে কোনও ডাল চাইলেই দিতে পারেন।কিন্তু স্বাস্থ্যকর রেসিপির ক্ষেত্রে এখানে মুগ, মুসুর ও সবুজ মুগ ডাল দেওয়া হয়েছে।টাটকা সবজির তালিকায় রয়েছে অনেক কিছু।
কুচোনো পেঁয়াজ, টমেটো কুচি, কয়েক টুকরো ফুলকপি, মটরশুঁটি, ক্যাপসিকাম, বীট, গাজরের টুকরো দিয়ে দিন। সাধারণত এই সবজিগুলো বাচ্চারা না খাওয়ার বায়না করে থাকে। সঙ্গে যোগ করুন টকদই, রসুন বাটা ও আদা বাটা।এক চামচ করে হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, জিড়েরগুঁড়ো, নুন ও গোলমরিচেরগুঁড়ো দিয়ে খুব ভাল করে মাখিয়ে নিন সমস্তটা।প্রেশার কুকারে দিয়ে দিন উপকরণগুলো। পাঁচ কাপ গরম জল ঢেলে দিন। প্রেশারের ঢাকনা বন্ধ করুন।তিন থেকে চারটি সিটি পড়লে নামিয়ে নিন। প্রেশারের ঢাকা খুলে নেড়ে মিশিয়ে দিন খিচুড়িকে।পরিবেশন করার আগে ঘি ও রসুনের ফোড়ন ছড়িয়ে দিন।হাত চেটে খাবে সকলে।
খিচুড়িতে দেওয়া হয় জিরে।জিরে হজমশক্তিকে শক্তিশালী করে ও পরিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।প্রায় কোনও ভারতীয় পদই হলুদ ছাড়া রান্না করা হয় না।হলুদের মধ্যে রয়েছে দারুন অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।তাছাড়া এতে থাকে কারকুমিন যা বাতের ব্যথা হ্রাস করতে পারে।তাছাড়া এতে যে টাটকা সবজি দেওয়া হয়েছে তার প্রত্যেকটির আলাদা খাদ্যগুণ রয়েছে। শিশুরা না খাওয়ার বায়না করলেও চিন্তা নেই।এই খিচুড়িতেই মিটবে পুষ্টির অভাব।
















