আজকাল ওয়েব ডেস্ক: জীবনধারা নিয়ন্ত্রণে আনলে ডায়াবেটিসের মতো রোগও সারিয়ে তোলা সম্ভব।কিন্তু যাদের ছ’বছর পরেও ওষুধের দ্বারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক অবস্থার উন্নতিও হতে সমস্যা হয়। উপরন্তু জটিলতা সৃষ্টি হয়ে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়।ডায়াবেটিসের কারণে মূলত আমাদের চারটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বেশি ক্ষতি হয়।এর মধ্যে রয়েছে হার্ট, চোখ, কিডনি এবং নার্ভ।এই চারটি অঙ্গ ঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্যে প্রয়োজন প্রথমে ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।মেপে ও বেছে খাওয়া দাওয়া করছেন সঙ্গে ওষুধও চলছে দীর্ঘদিন। তবুও সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। চিন্তা নেই, আপেলের চায়েই রয়েছে সমাধান। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, আপেল দিয়ে তৈরি এই পানীয় ডায়বেটিসের যম। দেখুন কিভাবে বানাবেন এই চা।
দুটি টাটকা আপেল নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।প্যানে দু'কাপ জল গরম করতে দিন।কেটে রাখা আপেলগুলো দিয়ে দিন। সঙ্গে দিন দু'চামচ দারচিনিগুঁড়ো ও মৌড়ি। ঢাকা দিয়ে ১০ মিনিট কম আঁচে বসিয়ে রাখুন।সেদ্ধ আপেলের টুকরোগুলো আলাদা করে তুলে রাখুন। বাকি সমস্ত উপকরণগুলো ছেঁকে নিন।রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চায়ের পরিবর্তে পান করুন এই জল এবং সেদ্ধ আপেলগুলো ব্রেকফাস্টে খেয়ে নিন।চমকপ্রদ ফলাফল পেতে এই আপেল চা টানা ১০দিন খেয়ে দেখুন।টাইপ টু ডায়াবেটিস রুখতে দারুণ কাজ করে আপেল।
আপেলে থাকা ফাইবার খাবার হজম করতে ভীষণ কার্যকরী আর পেকটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া দারচিনিও ডায়বেটিস রোগীদের জন্য উপকারি।দারচিনি খেলে অন্ত্র ইনসুলিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে।এই হরমোন রক্তে সুগারের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও দারচিনিতে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক উপাদানের উপস্থিতি মিলেছে। যা সরাসরি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
নির্দিষ্ট সময় বেঁধে খাবার খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের রাখার জন্য জরুরি। বিশেষ করে যাঁরা খাওয়ার আগে ইনসুলিন নেন, তাঁদের রোজ একই রকম রুটিন মেনে সময় ধরে খাওয়া উচিত।
শারীরচর্চাও জরুরি। ভারী ব্যায়াম না করে রোজ আধ ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যায়াম করতেই হবে।নিয়মিত রক্তের শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করাতে হবে।
