আজকাল ওয়েবডেস্কঃ সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঘাম ঝরিয়ে শরীরচর্চা বা সারাদিনের যে কোনও একটি খাবার না খেয়ে থাকা, এসব রোজের রুটিনে রাখলেই অনেকের ধারণা পেটের অবাঞ্ছিত মেদ কমানোর যায়। কিন্তু এই ধারণা অনেকটাই ভুল। বরং কিছু কিছু খাবার আপনার রোজের ডায়েটে রাখলে এই জেদি মেদ সহজেই ঝরবে। জানুন সেইসব খাবারের লিস্ট।
লেবুর রস মেটাবলিজম দ্রুত বৃদ্ধি করে। সকালবেলা উঠে অনেকেই দুর্বল ও ক্লান্ত বোধ করেন। মেটাবলিজমও এই সময় কম থাকে। পাতিলেবুর রস উষ্ণ গরম জলে মিশিয়ে খেলে মেটাবলিজম বেড়ে যায় দ্রুত। তা ক্যালোরি ঝরানোর পক্ষে সহায়ক। এই জল রোজ খেলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের পথ প্রশস্ত হয় ও সহজেই খাবার হজম হতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের মেদ ঝরে ওজন কমে তাড়াতাড়ি। ভিটামিন সি-এর উৎস হিসেবে পাতিলেবুর উপকারিতার কথা সকলের জানা।
ডার্ক চকোলেট খেলে দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না। এতে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায় যা, মেটাবলিজমকে শক্তিশালী করে ফ্যাট বার্ন করে। গবেষণা অনুযায়ী খাওয়ার পর ডেজার্ট হিসেবে ডার্ক চকলেট খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
দিনে একটি অ্যাভোকাডো খাওয়ার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায় না এবং এলডিএল কোলেস্টেরল কিছুটা কমে যায়, যা ভাল স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত অ্যাভোকাডো খাওয়ার ফলে খাদ্যের গুণমান বাড়ে। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অ্যাভোকাডো রাখলে আপনার খাবার খুব ভালোভাবে হজম হবে। সেই সাথে কোষ্ট্যকাঠিন্যের মত সমস্যা দূর হবে। একটি অ্যাভোকাডোতে ১০ গ্রামের মত ফাইবার থাকে। ফাইবার হজমে সহায়তা করে। ফলে ওজন খুব দ্রুত কমে।
ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের ভরপুর শশা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এতে ক্যালোরির পরিমাণ যেমন কম, তেমনই এতে জলের পরিমাণ বেশি। পরিমাণে কম হলেও ফাইবার আছে শসায়। রোগা হওয়ার পর্বে ইচ্ছেমতো শসা খেলেই হল না। শসা খেতে হবে নিয়ম মেনে। খালি পেটে নয়, ভারী খাবার খাওয়ার পরেই শসা খান। সকাল বা বিকেলের টিফিনে শসার রায়তা, দই-শসা রাখতে পারেন। শসা দিয়ে বানানো স্মুদিও খাওয়া যেতে পারে। ওজন ও পেটের মেদ থাকবে বশে।
কলায় রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার ও ক্যালোরি একেবারে না থাকায় কলা রোজ ডায়েটে রাখলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকার অনুভূতি হয়। ফলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে ও ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত বেশি কলা খেলে ওজন বাড়তে পারে, এমন ধারণা রয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এমন কোনও গবেষণায় দাবি করা হয়নি যে কলা খেলে ওজন বাড়ে। বরং বিশেষজ্ঞদের মতে, কলায় উচ্চমাত্রায় ফাইবার এবং কম ক্যালরি রয়েছে। এই কারণেই যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছে তারা বিনা দ্বিধায় এটি খেতে পারেন।
















