আজকাল ওয়েবডেস্কঃ স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে চাইলে প্রকৃতির কিছু অনন্য উপাদানকে ডায়েটে জায়গা করে দিতে হবে। তাহলেই শরীরের জটিলতা বদলে গিয়ে স্বাস্থ্য ফিরবে। এমনকী এড়িয়ে চলা যাবে একাধিক কঠিন রোগের ফাঁদও। উপকারী সব প্রাকৃতিক উপাদানের তালিকায় উপরের সারিতেই নাম রয়েছে সূর্যমুখীর বীজের। সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ই, নিয়াসিন, ভিটামিন বি৬, ফোলেট, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, আয়রন, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার থেকে শুরু করে একাধিক ভিটামিন ও খনিজের ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত এই বীজ খেলে যে স্বাস্থ্যের হাল-হকিকত বদলে যাবে, তা তো বলাই বাহুল্য। এই বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম। আর এই খনিজ কিন্তু হাই প্রেশার কমানোর কাজে সিদ্ধহস্ত। তাই ব্লাড প্রেশার রোগীরা যত দ্রুত সম্ভব সূর্যমুখীর বীজ সেবন করা শুরু করুন। উপকার যে পাবেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
তবে শুধু সূর্যমুখীর বীজ খেয়ে কিন্তু প্রেশার কমবে না। তাই এই বীজ খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ খান ও শরীরচর্চা করুন। তবেই কিন্তু, হাই প্রেশারের মারণ কামড় এড়িয়ে যেতে পারবেন। শরীরে প্রদাহের মাত্রা বাড়লে একাধিক ক্রনিক রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ইনফ্লামেশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে সূর্যমুখীর বীজ। আসলে এই বীজে এমন কিছু ফ্ল্যাভানয়েডস রয়েছে যা প্রদাহের দাপট এক ধাক্কায় অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। সুতরাং সুস্থ-সবল নীরোগ জীবন কাটানোর ইচ্ছে থাকলে প্রত্যহ কয়েকটি সূর্যমুখীর বীজ গুঁড়ো করে জল দিয়ে গিলে খেয়ে নিন। এতেই ফিরবে স্বাস্থের হাল।
সূর্যমুখী বীজে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি, তাই আপনি যখন এই বীজ খাবেন তখন আপনার উচ্চ কোলেস্টরেল যুক্ত খাবারের ওপর নজর থাকবে না। ফলে আপনার শরীরে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আপনার ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। প্রত্যেকদিন এই বীজ খেলে আপনার ত্বকের বয়স কমে যাবে অনেকটাই। সূর্যমুখী বীজে ডাইরেটরি ফাইবার থাকে, যা আপনার হজম ক্ষমতা উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাকে দূর করে দেয়। সূর্যমুখী বীজের মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আপনার হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও এতে থাকে ফসফরাস এবং কিছু প্রয়োজনীয় মিনারেল যা আপনার হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
এটি আপনার অ্যাংজাইটি, ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকেও দূর করে এবং আপনার মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে।
