এই কাজ না করলে ১ মার্চ থেকে আর কোনও মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না ব্যবহারকারীরা। অথচ এই হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার টেলিগ্রাম ছাড়া আজকালকার দিনে জীবন এক কথায় অচল। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে এই অ্যাপগুলো নির্বিঘ্নে ব্যবহার করার জন্য কোন কাজ জরুরি জেনে নিন। 

সিম বাইন্ডিং বিষয়টি নিয়ে এবার কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কড়াকড়ি শুরু করেছে। সরকারের তরফে জানানো  হয়েছে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সিম বাইন্ড করা বা জোড়া খুবই জরুরি। এতে কোনও রকম ঢিলেঢালা দেওয়ার কোনও সম্ভবনা নেই বলেই জানানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এই কাজ ১ মার্চের আগে সারবেন না, তাঁরা আর কোনও মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না। 

১ মার্চ পর্যন্ত ভারত সরকার সময়সীমা দিয়েছেন সিম বাইন্ডিং করার জন্য। আর এই সময়ের কোনও নড়চড় হবে না যে সেটারও ইঙ্গিত দিয়েছে। ডিওটি বা ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশনসের তরফে ওটিটি মেসেজিং অ্যাপগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যে ব্যবহারকারীদের অ্যাক্টিভ সিমের সঙ্গেই লিংকড অ্যাকাউন্ট যেন ব্যবহার করে। ইনঅ্যাক্টিভ সিমের সঙ্গে লিংকড অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করলে সেটা খারিজ করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ যে ফোনে কোনও সিম নেই, অথচ সেটা দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামের মতো অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। 

এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপটি বিভিন্ন ব্যবহারকারীরা একই নম্বরের অ্যাকাউন্টকে বিভিন্ন ডিভাইসে একসঙ্গে ব্যবহার করেন। ফলে ১ মার্চ থেকে এটি আর হবে না। যাঁরা এই ধরনের কাজ করেন, তাঁদের সেই অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। 

সিম বাইন্ডিংয়ের ফলে কি বন্ধ হয়ে যাবে লিংকড ডিভাইস? 

অনেকেই ফোনের সঙ্গে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার লিংক করে কাজ করেন। এক্ষেত্রে কি সিম বাইন্ডিং নিয়ে যে কড়াকড়ি হচ্ছে, তাতে সেগুলো বন্ধ হবে? জানা যাচ্ছে, সেটা না হলেও একাধিক লিমিটেশন চলে আসবে। সিম না থাকলে অ্যাপ সঠিক ভাবে চলবে না। 

কেন এই সিম বাইন্ডিং জরুরি?

মনে করা হচ্ছে, এতে প্রতারকদের দাপট কমবে। স্প্যাম কল আসা বন্ধ হবে অনেকটাই। প্রতারকদের খপ্পর থেকে বাঁচবেন অনেকে।