শনিদেব কখনও কখনও কড়া পরীক্ষা নিয়ে থাকেন। আর তাঁর রোষে পড়লে অগ্নিপরীক্ষা যেন শেষ হতেই চায় না। একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী জন্মছকে যদি শনির দশা ঠিক না থাকে তবে সেই ব্যক্তিকে বেজায় কষ্ট ভোগ করতে হয়। 

তবে সমস্যা থাকলে তার থেকে বাঁচার উপায়ও থাকবে। সেটাই স্বাভাবিক। ফলে, শনির কোপ বা দশা থেকে বাঁচারও উপায় রয়েছে। কী করলে বড়দেবতাকে তুষ্ট করা যায়, সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া যায় জেনে নিন। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রতি শনিবার এই নির্দিষ্ট কাজ করলেই উপকার পাওয়া যাবে। 

শনিবার কী টোটকা করলে শনির দশা কাটে? 

কাককে খাওয়ানো: কালো কাককে এদিন খেতে দিন। কী দেবেন? অড়হর ডাল, গোলমরিচ, কালো চানা বা অন্য কালো কোনও জিনিস। এতে নেতিবাচক প্রভাব কাটে। কাককে খেতে দেবেন যখন মনে কোনও খারাপ চিন্তা রাখবেন না। মন পবিত্র রাখবেন। 

বাঁশিতে গুড় ভরে রাখুন: একটা ছোট বাঁশি কিনে তাতে গুড় ভরে কোনও নিরিবিলি জায়গায় পুঁতে দিন। এতে যে আর্থিক সমস্যা পোহাতে হচ্ছে সেটা কমবে। 

বাদামের টোটকা: শনিবার করে ১২টা বাদাম কালো কাপড়ে মুড়ে বাড়ির দক্ষিণ দিকে রেখে দিন। এতে সংসার, বাড়িতে স্থিরতা আসে। 

ব্রত এবং মন্ত্র জপ: প্রতি শনিবার যদি শনিদেবের ব্রত পালন করেন এবং তার মন্ত্র জপ করেন তাহলে মানসিক শান্তি বজায় থাকবে। সূর্যাস্তের পর খাবার গ্রহণ করুন। 

জলে ভরা ঘট: যে কোনও শুভ কাজের আগে বাড়িতে একটি জল ভরা ঘট রাখুন। এটি স্থিরতা এবং ইতিবাচক উর্জার প্রতীক। 

মাছকে খাওয়ানো: পরপর ১২টি শনিবার মাছকে খাবার খাওয়ান। এতে ধৈর্য এবং নিয়মানুবর্তিতা বাড়বে। জীবনের অনেক সমস্যা দূর হবে।

শনিদেবকে ন্যায় এবং কর্মের দেবতা মনে করা হয়। তাই অকারণ মিথ্যের আশ্রয় নেওয়া বন্ধ করুন। নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকুন। নিয়ম এবং সময় মেনে চলুন। এতে তুষ্ট হয় বড়দেবতা।