কুমড়োর তরকারি বানানোর পর খোসা এবং বীজ ফেলে দেন? কিন্তু জানেন কি এই সবজির বীজে রয়েছে ভরপুর পুষ্টি গুণ। প্রোটিন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ফ্যাট, ফাইবার, জরুরি খনিজ উপাদান্জ ইত্যাদি রয়েছে। একেবারে আদর্শ ব্যালেন্সড ডায়েট যাকে বলে। কিন্তু তাই বলে কি কুমড়োর বীজ রোজ খাওয়া উচিত? খেলে কী উপকার মেলে?
কুমড়োর বীজের উপকারিতা:
কুমড়োর বীজ রোজ যদি খাওয়া হয় তাহলে মাসলে কোথায় আঘাত লাগলে, বা টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা সারাতে সাহায্য করে। কারণ এতে ভরপুর প্রোটিন রয়েছে।
হার্টের স্বাস্থ্যের জন্যও ভীষণ উপকারী কুমড়োর বীজ। শুধু তাই নয়, স্নায়ুতন্ত্রকে ভাল রাখে কুমড়োর বীজে থাকা ম্যাগনেসিয়াম। ক্ষত সেরে ওঠা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে এই বীজ। এতে ফাইবার রয়েছে, যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়।
তবে আবার কুমড়োর বীজ অতিরিক্ত খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। কুমড়োর বীজ বেশি খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে জেনে নিন।
কুমড়োর বীজ অতিরিক্ত খেলে কী হয়?
প্রথমত, পেট ফাঁপ দেয়, গ্যাস হয়। ফাইবার হজমে সাহায্য করলেও বেশি খেলে সেটা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। এমনকী কমস্টিপেশনের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বা উল্টে পেট খারাপ হতে পারে। কুমড়োর বীজ খেয়ে তাই জল খাওয়া আবশ্যক। কিন্তু বেশি নয়। আবার কমও নয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে।
পেট ব্যথা হতে পারে। এমনকী বদহজম। সোডিয়াম এবং ক্যালোরি বেশি পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করে। খনিজ উপাদানের পরিমাণে গড়বড় হয়ে যায়।
তাহলে কী করা উচিত?
কুমড়োর বীজ অবশ্যই খাওয়া উচিত কারণ এটি স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। কিন্তু রোজ নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে। প্রতিদিন যদি এক চতুর্থাংশ কাপ এই বীজ খান তাহলে শরীরের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি গুণ পাওয়া যাবে। কিন্তু বেশি খাবেন না। আর এই বীজ খেয়ে অবশ্যই জল খাবেন।
