হলুদ মিষ্টি কাঁঠাল অনেকেরই প্রিয় হলেও এর বীজ প্রায়বসকলেই ফেলে দেন৷ কিন্তু কাঁঠালের বীজ এর পুষ্টিগুণ অনেক৷  কিন্তু কাঁঠালের বীজে আছে প্রোটিন, ফাইবার, বি-ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রন। 

সিদ্ধ করে পুড়িয়ে খেলে এগুলোর স্বাদ কিছুটা বাদামের মতো হয়ে ওঠে এবং খাবারের পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়৷ গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাঁঠালের বিচিতে বিভিন্ন ধরণের প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে।

 যদিও ডিম বা দুগ্ধজাত খাবারের মতো এগুলোকে সাধারণত 'পূর্ণাঙ্গ প্রোটিন' (complete protein) হিসেবে গণ্য করা হয় না, তবুও সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে এগুলি খাওয়া যায়৷ 

 কাঁঠালের বীজে এমন এক ধরণের কার্বোহাইড্রেট আছে যা ক্ষুদ্রান্ত্রে হজম না হয়ে সরাসরি বৃহদন্ত্রে (কোলন) পৌঁছায় এবং সেখানে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পুষ্টি জোগায়। এটি পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকার অনুভূতি দিতে এবং উপকারী 'শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড' তৈরিতে সহায়তা করতে পারে।

এছাড়া, কাঁঠালের বীজ থেকে পাওয়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ উপাদানগুলো শরীরে শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিপাক প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। 

কীভাবে খাবেন? 

কাঁঠালের বীজ ভাল করে ধুয়ে নিন৷ এরপর ২০-৩০ মিনিট সেদ্ধ করুন অথবা নরম হওয়া পর্যন্ত ঝলসিয়ে নিন। এরপর বাইরের শক্ত খোসা ছাড়িয়ে নিন। এগুলো সরাসরি স্ন্যাকস হিসেবে খেতে পারেন। বীজগুলো মিক্সার গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিয়ে স্যুপ তৈরির সময় মেশাতে পারেন।  অথবা প্রোটিন ও ফাইবারের বাড়তি জোগান পেতে তরকারি ও অল্প তেল দিয়ে হালকা করে ভেজে খেতে পারেন৷